বিজ্ঞাপন

কিশোরগঞ্জে সাবেক ছাত্রদল নেতা মামুনের সংবাদ সম্মেলন

পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম মামুনের বিরুদ্ধে কৃত্রিম (আর্টিফিশিয়াল) আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা মামলা, ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এই ছাত্রদল নেতা।

শনিবার (২৭ জুন) বিকালে কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে অশ্রুভেজা কণ্ঠে নিজের ওপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ের বিচার দাবি করেন মামুন।

লিখিত বক্তব্যে রাকিবুল ইসলাম মামুন জানান, যশোদল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন সম্পর্কে তাঁর চাচাতো মামা। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁর ওপর নির্মম হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি দীর্ঘদিন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং তাঁর শরীরে এখনও ৩৭টি সেলাইয়ের দাগ রয়েছে।

মামুন অভিযোগ করেন, ওই নৃশংস হামলার ঘটনায় আমি মো. জালাল উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছিলাম। কিন্তু তিনি নিজের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) থেকে তাঁর নাম কাটিয়ে নেন। এরপরও ক্ষান্ত না হয়ে, সম্প্রতি প্রযুক্তির অপব্যবহার করে আমি মাদক গ্রহণ করছি এমন একটি কৃত্রিম (আর্টিফিশিয়াল) ভুয়া ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মূলত আমাকে সামাজিকভাবে ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই শরিফ ও জালাল গং এই হীন চক্রান্ত করছে।

তিনি আরও বলেন, আমি এই নোংরা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সমাজে আমার সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সাবেক এই ছাত্রদল নেতা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমি শুধু ন্যায়বিচার চাই। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে যারা আমার ক্যারিয়ার ও জীবন ধ্বংস করতে চাইছে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সেই চক্রের বিরুদ্ধে যেন কঠোর ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নোয়াখালীতে সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন