নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের উত্তর দেলপাড়া এলাকায় স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ফারজানা আক্তার মুন্নিকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৯ জুন) ভোররাতে উত্তর দেলপাড়া চানাচুর ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর আলম জনি ওই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে ঘরের ভেতরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পরে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফারজানা আক্তার মুন্নিকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু ও একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জের ৩০০ শয্যা (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ফারজানা আক্তার মুন্নি দাবি করেন, পারিবারিক কলহ ও স্বামীর একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এসব কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। তবে তার এ বক্তব্যের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রায় সাত বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের পর জাহাঙ্গীর আলম জনি ও ফারজানা আক্তার মুন্নি বিয়ে করেন। বিয়ের আগে উভয়েরই পৃথক সংসার ছিল বলে জানা গেছে। জাহাঙ্গীর আলম জনি ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে বার বয় হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, ঘটনাস্থল থেকে একজন নারীকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পড়ুন- পল্লী বিদ্যুৎ: তীব্র লোডশেডিং আর ভূঁতুড়ে বিলের শেষ কোথায়?


