বিজ্ঞাপন

রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে আগামীকাল ‘স্বপ্ন সারথি’ আবৃত্তি অনুষ্ঠান 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা, মানবিক দর্শন এবং সাম্যের বাণীকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘স্বপ্ন সারথি’ আয়োজন করছে আবৃত্তিমেলা পরিবার। 

বিজ্ঞাপন

আগামীকাল ৩০ জুন (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডস্থ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে এ আয়োজন। অনুষ্ঠানের গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় থাকবেন আবৃত্তিশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মাহিদুল ইসলাম।

আয়োজকদের মতে, দেশ, মানুষ ও মানবতার কল্যাণে দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্য, দর্শন এবং জীবনবোধ আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁদের চিন্তা-চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে সমাজে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারলেই প্রকৃত মুক্তি ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দর্শক-শ্রোতা, আবৃত্তিপ্রেমী, সাংস্কৃতিক কর্মী, আলোকচিত্রী ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। তারা বলেন, সংস্কৃতিচর্চার ধারাকে এগিয়ে নিতে সকলের আন্তরিকতা, সমর্থন ও সহযোগিতা অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা বাংলাদেশে আবৃত্তিচর্চাকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করেছে।

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে মাহিদুল ইসলাম বলেন, “আয় চলে আয় রে ধূমকেতু, আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু। দুর্গমের এই দুর্গশিরে, উড়িয়ে দে তোর বিজয়-কেতন”—তরুণ কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার সূচনাকালে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেওয়া এই আশীর্বাণী আজও আমাদের পথ দেখায়।

তিনি বলেন, “এক শতাব্দীরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এই উপমহাদেশের মানুষ এখনও নানা সংকট ও অন্ধকার সময়ের মধ্য দিয়ে পথ চলছে। তবে আমরা আশাহীন নই। আমরা স্বপ্ন দেখি, স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাই। সেই স্বপ্নযাত্রার সারথি আমাদের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম। অন্ধকারে আলোর মশাল হাতে তাঁরাই আমাদের পথ দেখান।”

তিনি আরও বলেন, “মানবতা, সাম্য, দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার দুই মহান কবি রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল আজও আমাদের সাহস জোগান। তাঁদের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ‘স্বপ্ন সারথি’ আয়োজন মূলত তাঁদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতার প্রকাশ।”

আবৃত্তিমেলা পরিবারের প্রত্যাশা, এই আয়োজনের মাধ্যমে দুই মহান কবির মানবিক ও প্রগতিশীল চেতনা নতুন করে মানুষের হৃদয়ে সঞ্চারিত হবে এবং আবৃত্তিচর্চা আরও বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়বে।

পড়ুন- ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন