বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনা সীমান্তে পাওয়া মর্টারশেল ধ্বংসের প্রক্রিয়াধীন

নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) আওতাধীন ভবানীপুর বিওপির সীমান্ত এলাকা থেকে একটি ৬০ মিলিমিটারের জ্যান্ত ও অবিস্ফোরিত মর্টার শেল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (০৪ জুলাই) দুপুরের দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভবানীপুর গ্রামের নালা থেকে এই শক্তিশালী গোলাটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার আনুমানিক বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঘটিকায় ভবানীপুর বিওপির (বর্ডার অবজারবেশন পোষ্ট) দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১১৫৫/১০-এস হতে আনুমানিক তিনশো গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভবানীপুর গ্রামের কয়েকজন ছোট বাচ্চা নালায় মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরার সময় কাদা মাটির ভেতরে তারা ভারী লোহার বস্তু দেখতে পায়। পরবর্তীতে ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ছদর উদ্দিনের ছেলে মো. আমজাদ আলী (৩০) বিষয়টি জানতে পেরে নালা থেকে উক্ত গোলাটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে তুলে নিয়ে আসেন। তিনি গোলাটি তার বাড়ির নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে রেখে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবি ভবানীপুর বিওপি কমান্ডারকে খবর দেন।

সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই ভবানীপুর বিওপি কমান্ডার বিজিবির একটি টহল দল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে তারা বস্তুটিকে ৬০ মিলিমিটারের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অবিস্ফোরিত মর্টার গোলা হিসেবে শনাক্ত করেন।

বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানায়, জননিরাপত্তা ও যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে অবিস্ফোরিত গোলাটি বালির বস্তা দিয়ে চারপাশ থেকে নিরাপদ বেষ্টনীতে ঘিরে ফেলা হয়েছে। বর্তমানে ওই স্থানে বিজিবি মোতায়েন করে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ৩১ বিজিবি’র অধিনায়ক ও পরিচালক লে. কর্নেল তৌহিদুল বারী (পিএসসি) জানান, সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার হওয়া মর্টার শেলটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল দলের সাথে সার্বিক সমন্বয় সাধন করে গোলাটি সম্পূর্ণ নিরাপদ উপায়ে ধ্বংস করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বোম্ব ডিসপোজাল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গোলাটি নিষ্ক্রিয় বা ধ্বংস করার পর এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং স্থানীয় জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ২ শিশু মৃত্যু

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন