বিজ্ঞাপন

মেক্সিকোকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টারে ইংল্যান্ড

আজতেকা স্টেডিয়ামে নাটকীয় এক ম্যাচে জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে স্বাগতিক মেক্সিকোকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড।

বিজ্ঞাপন

কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আজতেকা স্টেডিয়ামে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর মুখোমুখি হয়েছিল স্বাগতিক মেক্সিকো ও ইংল্যান্ড। গরম, উচ্চতার সঙ্গে আজ ইংলিশদের প্রতিপক্ষ ছিল আজতেকা স্টেডিয়ামের ৮০ হাজারের বেশি মেক্সিকোর সমর্থক।

ম্যাচের এক মিনিটের মাথায় ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখলেন ইংল্যান্ড তারকা ডেক্লান রাইস। ম্যাচের প্রথম ৩৫ মিনিট একছত্র দাপট দেখিয়েছে স্বাগতিকরা। মুহুর্মুহু আক্রমণে বিপর্যস্ত করেছে ইংলিশ ডিফেন্সকে।

দারুণ এক পাল্টা আক্রমণ থেকে ম্যাচে লিড নিল ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহামের হেডে ম্যাচে ১-০ তে এগিয়ে গেল কেইনের দল। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে বুকায়ো সাকার ক্রসে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান বেলিংহাম। বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় গোল।

এক মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় গোল পেলেন বেলিংহাম। ৩৮ মিনিটে লিড দ্বিগুণ করল ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনের অ্যাসিস্টে এবারের আসরে নিজের চতুর্থ গোলের দেখা পেলেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার দুই মিনিটের মধ্যে ব্যবধান কমাল স্বাগতিকরা। ৪২ মিনিটে জুলিয়ান কুইনোনেসের গোলে ম্যাচে এখনো ২-১ এ পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় মেক্সিকো।

প্রথমার্ধের শুরুর ভাগে মুহুর্মুহু আক্রমণে ইংল্যান্ডকে বিপর্যস্ত করে রেখেছিল মেক্সিকো। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটাও হলো একই ভাবে। ইংলিশ ডিফেন্স ও কিপারের শক্ত পরীক্ষা নিয়েছে মেক্সিকানরা।

ভিএআরের সাহায্য নিয়ে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যারেল কুয়ানশাকে লাল কার্ড দেখালেন রেফারি।

বক্সের ভেতর ফাউল করায় পেনাল্টি পেয়েছিল ইংল্যান্ড। স্পট কিক থেকে গোল পেলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। কেইনের গোলে ৩-১ এর লিড নিল ইংলিশরা।

নাটকীয় ম্যাচে আবারও ভিএআর নাটক। বক্সের ভেতর ফাউল করলেন কেইন, পেনাল্টি পেল মেক্সিকো। ৬৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল পেলেন রাউল হিমেনেজ। ম্যাচে তখনো ৩-২ এ এগিয়ে ইংল্যান্ড।

শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের এই জয় নিয়েই আজতেকার ৪০ বছরের অভিশাপ কাটাল ইংলিশরা।

পড়ুন : ব্রাজিলকে কাঁদিয়েই আবারো ইতিহাস নরওয়ের

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন