বিজ্ঞাপন

বেলজিয়ামের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় যুক্তরাষ্ট্রের

লাল কার্ডের কারণে নিষেধাজ্ঞায় থাকা ফোলারিন বালোগানকে দলে ফেরাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপ বিশ্বজুড়ে সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে সেই বালোগানকে নিয়েও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার বেলজিয়ামের কাছে ৪-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে রোমেলু লুকাকু ও কেভিন ডি ব্রুইনার নেতৃত্বে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে বেলজিয়াম।

পুরো টুর্নামেন্টে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে প্রশংসা কুড়ানো যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে নিজেদের ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি। বরং ম্যাচজুড়ে বেলজিয়ামের আধিপত্যের সামনে অসহায় দেখিয়েছে স্বাগতিকদের। রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের একের পর এক ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সহজেই এগিয়ে যায় ইউরোপের দলটি।

বেলজিয়ামের হয়ে চার্লস ডি কেটেলার জোড়া গোল করেন। এছাড়া হান্স ভেনাকেন ও রোমেলু লুকাকু একটি করে গোল যোগ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মালিক তিলমান। তার গোল সাময়িকভাবে সমতা ফেরালেও শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা।

গত ১২ বছরে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যুক্তরাষ্ট্রকে বিদায় দিল বেলজিয়াম। একই সঙ্গে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকার ধারাও বজায় রাখল দলটি।

সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আগামী শুক্রবার ক্যালিফোর্নিয়ার ইংগলউডে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের মুখোমুখি হবে বেলজিয়াম। ওই ম্যাচের বিজয়ী দল শেষ চারে খেলবে ফ্রান্স অথবা মরক্কোর বিপক্ষে।

এবারের আসরে প্রথমবারের মতো টানা তিন ম্যাচ জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে ২০০২ সালের পর প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি তারা। পাশাপাশি ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপে জয়ের পর বেলজিয়ামের বিপক্ষে এটি যুক্তরাষ্ট্রের টানা সপ্তম হার। ইউরোপের দলগুলোর বিপক্ষে সর্বশেষ ১২ ম্যাচের মধ্যে ১১টিতেই হেরেছে মার্কিনরা। একমাত্র জয়টি এসেছে রাউন্ড অব ৩২-এ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে।

পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমতেই বাড়লো তেলের দাম, নজরে সরবরাহ-চাহিদা

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন