বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যে কারণে নীল জার্সি পরতে চায় আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে জার্সি নির্বাচন নিয়ে ফিফার কাছে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে আর্জেন্টিনা। ঐতিহ্যবাহী নীল-সাদা ডোরাকাটা হোম জার্সির বদলে গাঢ় নীল অ্যাওয়ে জার্সি পরে খেলতে চায় আলবিসেলেস্তেরা।

বিজ্ঞাপন

আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন এদুলের তথ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই ফিফার কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নীল জার্সিতে খেলার আবেদন করেছে আর্জেন্টিনা। তবে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি ফিফা। তার দাবি, মঙ্গলবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত একবারই গাঢ় নীল অ্যাওয়ে জার্সি পরে মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে ওই জার্সিতে ৩-১ গোলের জয় পেয়েছিল লিওনেল মেসির দল।

জার্সি পরিবর্তনের অনুরোধের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি আর্জেন্টিনা। তবে দেশটির ফুটবল সংস্কৃতিতে প্রচলিত ‘কাবালা’ বা সৌভাগ্য ও কুসংস্কারে বিশ্বাসকে এর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অতীতে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নির্দিষ্ট জার্সি পরে সাফল্য পাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকেই এমন সিদ্ধান্ত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচ ছিল নকআউট পর্বে। মুখোমুখি লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের জয় তিনটি এবং আর্জেন্টিনার দুটি। তবে আর্জেন্টিনার দুই জয়ই এসেছে স্মরণীয় দুই ম্যাচে—১৯৮৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার কিংবদন্তিতুল্য ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র ম্যাচ এবং ১৯৯৮ সালের শেষ ষোলোতে টাইব্রেকারের লড়াইয়ে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার দুটি জয়ই এসেছে গাঢ় নীল অ্যাওয়ে জার্সি পরে। ফলে অনেকের ধারণা, সেই সৌভাগ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এবারও একই জার্সিতে মাঠে নামতে চায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

অন্যদিকে, জার্সি পরিবর্তনের পেছনে বাস্তবিক একটি কারণও রয়েছে। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হোম দল হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ফিফা। সে কারণে নিয়ম অনুযায়ী আর্জেন্টিনাকে অ্যাওয়ে কিট পরেই খেলতে হতে পারে। এখন শেষ পর্যন্ত নীল জার্সি পরার অনুমতি মেলে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন