কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অধ্যাপক রেজাউর রহমান মাসুমের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিক্ষোভ মিছিলটি দৌলতপুর থানা বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অধ্যাপক রেজাউর রহমান মাসুমের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সচিব জাফর ইকবাল কর্নেলের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য আলাউদ্দিন বাদল, উপজেলার বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, দৌলতপুর উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম নান্নু মাষ্টার, দৌলতপুর উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান জিল্লু, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বজলুর রহমান ও দৌলতপুর উপজেরা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সুমন গাজী প্রমুখ।
এসময় স্থানীয় যুবনেতা আসাদুল হক, রতন আলী, মুক্তার হোসেন, উজ্জ্বল হোসেন, সবুজ ইসলাম, তৈমুর রহমান, জয়সহ বিএনপি, যুবদল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অধ্যাপক রেজাউর রহমান মাসুমের দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য, গত রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার হোসেনাবাদ হিসনাপাড়া এলাকায় অবস্থিত যুবদল নেতা অধ্যাপক রেজাউর রহমান মাসুমের কার্যালয়ে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। পরে তারা কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করলে আসবাবপত্রসহ পুড়ে যায়। এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি এবং কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা শরীফ উদ্দীন জুয়েলের বিভিন্ন কর্মসূচির ছবিসহ ব্যানার জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পরদিন সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অধ্যাপক রেজাউর রহমান মাসুম বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় ৩জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং-৩২। মামলায় উল্লেখ করা ৩জন আসামির মধ্যে রয়েছেন, উপজেলার হোসেনাবাদ হিসনাপাড়া এলাকার মৃত এলাহি সরদারের ছেলে জনি হোসেন (২২), জয়রামপুর এলাকার স্বপন মোল্লার ছেলে সৈকত মোল্লা (২২) এবং একই এলাকার নিপুল মোল্লার ছেলে মনোজ আলী (২০)। এছাড়া অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

