প্রথমার্ধের ২২তম মিনিটে মিকেল ওইয়ারসাবালের করা রেকর্ড গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গিয়েছে স্পেন।
এর আগে ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ধার দেখাচ্ছিল স্পেন। সেই চাপের ফল আসে ২০তম মিনিটে। ফ্রান্সের পেনাল্টি বক্সে লামিনে ইয়ামাল ফাউলের শিকার হলে স্পটকিকের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।
পেনাল্টি নিতে এগিয়ে আসেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। সুযোগ কাজে লাগাতে কোনো ভুল করেননি স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড। তার জোরালো শট ঠেকাতে নিজের বাঁ দিকে ঝাঁপ দেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ। দিক ঠিক বুঝলেও বলের নাগাল পাননি তিনি। মাইনিয়ঁকে ফাঁকি দিয়ে বল জড়িয়ে যায় জালে।
২২ মিনিটে ওইয়ারসাবালের সেই গোলেই ম্যাচে এগিয়ে যায় স্পেন। এই গোলটি ছিল ২০২৫-২৬ মৌসুমে স্পেনের জার্সিতে মিকেল ওইয়ারসাবালের ১৪তম গোল। স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে এক মৌসুমে জাতীয় দলের হয়ে এত গোল করতে পারেননি আর কোনো খেলোয়াড়।
ওইয়ারসাবালের এই কীর্তিতে পেছনে পড়ে গেছেন স্পেনের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দাভিদ ভিয়া। দীর্ঘদিন এক মৌসুমে স্পেনের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি ছিল তার দখলে। ২০০৮-০৯ মৌসুমে জাতীয় দলের জার্সিতে ১৩ গোল করেছিলেন ভিয়া।
প্রায় দেড় যুগের বেশি সময় অক্ষত থাকা সেই রেকর্ড এবার নিজের করে নিয়েছেন ওইয়ারসাবাল। ১৪ গোল করে এককভাবে উঠে গেছেন তালিকার শীর্ষে। একই সঙ্গে স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে নিজের নামও লিখিয়েছেন নতুন এক অধ্যায়ে।
স্পেনের জার্সিতে গোল করার ধারাবাহিকতা ধরে রেখে নতুন ইতিহাস গড়েছেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। ২০২৫-২৬ মৌসুমে জাতীয় দলের হয়ে তার গোলসংখ্যা এখন ১৪। স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে এক মৌসুমে জাতীয় দলের হয়ে এত গোল করতে পারেননি আর কোনো খেলোয়াড়।
ওইয়ারসাবালের এই কীর্তিতে পেছনে পড়ে গেছেন স্পেনের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দাভিদ ভিয়া। দীর্ঘদিন এক মৌসুমে স্পেনের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি ছিল তার দখলে। ২০০৮-০৯ মৌসুমে জাতীয় দলের জার্সিতে ১৩ গোল করেছিলেন ভিয়া।
প্রায় দেড় যুগের বেশি সময় অক্ষত থাকা সেই রেকর্ড এবার নিজের করে নিয়েছেন ওইয়ারসাবাল। ১৪ গোল করে এককভাবে উঠে গেছেন তালিকার শীর্ষে। একই সঙ্গে স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে নিজের নামও লিখিয়েছেন নতুন এক অধ্যায়ে।
জাতীয় দলের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা ওইয়ারসাবালের জন্য রেকর্ডটি বিশেষ এক অর্জন। গোলের সংখ্যায় ভিয়ার মতো কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে স্পেনের জার্সিতে নিজের কার্যকারিতারও বড় প্রমাণ দিলেন এই ফরোয়ার্ড।
ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ধার দেখাচ্ছিল স্পেন। সেই চাপের ফল আসে ২০ মিনিটে। ফ্রান্সের পেনাল্টি বক্সে লামিনে ইয়ামাল ফাউলের শিকার হলে স্পটকিকের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।
পেনাল্টি নিতে এগিয়ে আসেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। সুযোগ কাজে লাগাতে কোনো ভুল করেননি স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড। তার জোরালো শট ঠেকাতে নিজের বাঁ দিকে ঝাঁপ দেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ। দিক ঠিক বুঝলেও বলের নাগাল পাননি তিনি। মাইনিয়ঁকে ফাঁকি দিয়ে বল জড়িয়ে যায় জালে।
২২ মিনিটে ওইয়ারসাবালের সেই গোলেই ম্যাচে এগিয়ে যায় স্পেন। পিছিয়ে পড়ার পর এবার ম্যাচে ফেরার চ্যালেঞ্জ ফ্রান্সের সামনে।


