বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে থাকতে পারেন যারা

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে টানা দ্বিতীয়বার ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার হাতছানি দিচ্ছে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই ফাইনালের টিকিট কাটবেন লিওনেল মেসিরা। আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মধ্যকার সেমিফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় আজ দিবাগত রাত ১টায়।

হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটির শুরুর একাদশ নিয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলেননি আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, থমাস টুখেলের ইংল্যান্ড দলকে মাথায় রেখে কৌশলে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। যেমনটা বলছিলেন, ‘প্রতিপক্ষের শক্তি বিবেচনা করে আমরা দলে কিছু পরিবর্তন আনতে পারি। আমাদের লক্ষ্য সেরা একাদশ মাঠে নামানো। ছেলেরা সবাই দারুণ ছন্দে আছে।’

কোচ কোনো নির্দিষ্ট নাম প্রকাশ না করলেও আভাস পাওয়া গেছে যে, কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারানো একাদশ থেকে খুব বেশি পরিবর্তন হয়তো করা হবে না। তবে মাঝমাঠে একটি বড় চমক দেখা যেতে পারে।

গুঞ্জন রয়েছে, আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের অতন্দ্র প্রহরী রদ্রিগো ডি পল আজ শুরুর একাদশে জায়গা হারাতে পারেন। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে তাকে ফর্মের কারণে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। যদি ডি পলকে বেঞ্চে রাখা হয়, তবে তার জায়গায় স্কালোনির প্রথম পছন্দ হতে পারেন নিকোলাস গঞ্জালেজ অথবা হুলিয়ানো সিমিওনে।

গঞ্জালেজ দলে এলে খেলবেন বাম উইংয়ে। অন্যদিকে অ্যাটলেতিকো মাদ্রিদের সিমিওনেকে খেলানো হলে তা হবে বেশ চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত, কারণ এই বিশ্বকাপে মাত্র একটি ম্যাচেই তিনি শুরুর একাদশে ছিলেন। এছাড়া রাইট-ব্যাক পজিশনে গঞ্জালো মন্তিয়েলের চেয়ে নাহুয়েল মলিনা কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য শুরুর একাদশ:

এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, নাহুয়েল মলিনা/গঞ্জালো মন্তিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, হুলিয়ানো সিমিওনে/নিকোলাস গঞ্জালেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এঞ্জো ফার্নান্দেজ, হুলিয়ান আলভারেজ ও লিওনেল মেসি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আজ রাতে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা মহারণ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন