বিজ্ঞাপন

কসবা ব্লাড ব্যাংক জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

“একটি গাছ, একটি প্রাণ—সবুজ হোক আমাদের ভবিষ্যৎ” এই প্রতিপাদ্যে মেহেরপুরের কসবা ব্লাড ব্যাংক জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে “বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬” সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কসবা ও ভাটপাড়া এলাকার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে চার শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দিয়ে সেগুলোর সঠিক পরিচর্যার আহ্বান জানান আয়োজকরা।

এ সময় কসবা ব্লাড ব্যাংক জনকল্যাণ সংস্থার সভাপতি মো. রাসেল আহমেদ বলেন, “সবুজে ঘেরা একটি সুন্দর, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আজ আমরা যে একটি গাছ রোপণ করছি, সেটিই আগামী দিনে নির্মল বাতাস, শীতল ছায়া এবং সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানাই।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. সাগর ইসলাম, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সৌরভ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. সাব্বির আহমেদ, সদস্য ফারুক, সিয়াম, সোহেল, হুছাইনসহ সংস্থার অন্যান্য সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকরা। তারা শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং গাছের পরিচর্যা সম্পর্কে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

আয়োজকরা জানান, শুধু চারা বিতরণ নয়, সেগুলোর পরিচর্যা নিশ্চিত করাও তাদের কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভবিষ্যতেও সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন, উপস্থিত থেকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন, তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংস্থার নেতৃবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : জুলাই শহিদ ও আহত যোদ্ধাদের নিয়ে কটূক্তিমূলক আচরণ করলে কঠোর ব্যবস্থা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন