বিজ্ঞাপন

সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ৫০ হাজার টাকাই রাখা হচ্ছে

উপসচিব থেকে শীর্ষ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের মাসিক গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ৫০ হাজার থেকে অর্ধেক কমিয়ে ২৫ হাজার টাকা করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তা হচ্ছে না। এ খরচ ৫০ হাজার টাকা বহাল থাকছে। শুধু বেসামরিক সরকারি কর্মকর্তা নয়; বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারাও সুবিধাটি পেয়ে আসছেন।

গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমানোর বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এক সপ্তাহ ধরে চিঠি-চালাচালি হয়েছে। তা নিয়ে অনেক কর্মকর্তার মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমানোর জন্য গত ৯ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, সেই বিষয়ে কোনো কার্যক্রম গ্রহন না করার জন্য আজ বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে অর্থ বিভাগ। এর ফলে গাড়ির মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ৫০ হাজার টাকা থাকল।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটায় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিসসহ অংশীজনের সঙ্গে আন্তমন্ত্রণালয়ের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকটি স্থগিত হয়েছে।

প্রাধিকারভুক্ত সরকারি কর্মকর্তারা গাড়ি কিনতে ৩০ লাখ টাকা করে সুদমুক্ত ঋণ পেয়ে আসছিলেন। ৯ জুলাই তা বন্ধ করে দেয় সরকার। সুদমুক্ত ঋণের টাকায় কেনা গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ তাঁদের মাসিক ৫০ হাজার টাকা দেয় সরকার। এটা ২৫ হাজার টাকায় নামিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে ১৩ জুলাই চিঠি দেয় অর্থ বিভাগ। তবে গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কীভাবে কমানো যায়, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওপরই ছেড়ে দেয় অর্থ বিভাগ।

রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমানোর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার অনুরোধ জানিয়ে অর্থ বিভাগ চিঠি দিয়েছিল। তাতে বলা হয়, সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে আনা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যাঁরা সুদমুক্ত ঋণ গ্রহণের পর গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বাবদ আর্থিক সুবিধা পান, তা কিছুটা কমানোর সুযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন