বিজ্ঞাপন

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো অভিনেত্রীর

এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ‘গডজিলা ভার্সাস কং’ চলচ্চিত্রের অন্যতম অভিনয়শিল্পী কাইলি হটলে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে আমেরিকার মেরিল্যান্ডে ঘটে যাওয়া এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মাত্র ১৮ বছর বয়সেই নিভে গেল সম্ভাবনাময় এই তারকা অভিনেত্রীর জীবন।

কাইলির বাবা জশুয়া হটলে এক আবেগঘন ফেসবুক লাইভে এসে সর্বপ্রথম এই দুঃসংবাদটি জানান। পরবর্তীতে জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘টিএমজেড’কে দুর্ঘটনার বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি।

জশুয়া জানান, দুর্ঘটনার সময় তিনি টেক্সাসে অবস্থান করছিলেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রথম ফোনটি পাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই তাকে দ্বিতীয়বার ফোন করে জানানো হয় যে, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই কাইলির হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২৩ মিনিটের একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তায় সশঙ্কিত চিত্তে তিনি ক্যাপশন দেন, আমি এমন একটি ফ্লাইটে উঠছি, যেটিতে কখনোই উঠতে চাইনি।

২০০৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার আটলান্টায় জন্মগ্রহণ করেন কাইলি। তবে তার শৈশব কেটেছে টেক্সাসের অস্টিনে, যেখানে তিনি টেক্সাস স্কুল ফর দ্য ডেফ-এ পড়াশোনা করেন। জন্মগতভাবে বাক-শ্রবণপ্রতিবন্ধী কাইলি মাত্র ৯ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের জগতে পা রাখেন।

বাক-শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ ‘গ্লাইড’-এর একটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনী চিত্রে তার অভিষেক হয়। তবে চলচ্চিত্রে তার মূল যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালে গডজিলা ভার্সাস কন সিনেমার মাধ্যমে। ওই সিনেমায় জিয়া নামের একটি মূল চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হন কাইলি।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ফ্র্যাঞ্চাইজির পরবর্তী কিস্তি ‘গডজিলা x কং: দ্য নিউ এম্পায়ার’-এও নিজের জিয়া চরিত্রে পুনঃঅভিনয় করে কাইলি দর্শকদের মন জয় করেন। এছাড়া, ২০২১ সালে জনপ্রিয় সিরিজ ‘ম্যাগনাম পি.আই.’-এর চতুর্থ সিজনের একটি পর্বে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে প্রতিভাবান এই অভিনেত্রীর অকাল প্রয়াণে বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গন ও তার বিপুল সংখ্যক ভক্তদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পড়ুন : উজানের ঢল-ভারী বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন