বিজ্ঞাপন

জালালাবাদ গোল্ড অ্যাওয়ার্ড পেলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাওছার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কৃতী শিক্ষার্থী মো. এনামুল হাসান কাওছার ‘জালালাবাদ গোল্ড অ্যাওয়ার্ড ফর অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স’ অর্জন করেছেন।

জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত নবীনবরণ, একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ও বিদায়ী সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

মো. এনামুল হাসান কাওছার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় ৪.০০ সিজিপিএ এবং স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় ৩.৮৫ সিজিপিএ অর্জন করে উভয় ক্ষেত্রেই প্রথম স্থান লাভ করেন। এছাড়া তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক – উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন। ধারাবাহিক এ একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ‘জালালাবাদ গোল্ড অ্যাওয়ার্ড ফর অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স’ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে ​ডাঃ জিয়াউল ইসলাম মুন্না, সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস), প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত উইং, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিনসহ জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টাবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মাননা গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় কাওছার বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। এটি আমাকে শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত জীবনে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। এ অর্জনের পেছনে আমার শিক্ষক, পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের অবদান আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি।”

বর্তমানে মো. এনামুল হাসান কাওছার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে এমফিল গবেষক হিসেবে অধ্যয়নরত। পাশাপাশি তিনি কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস (সেমস-গ্লোবাল)-এর জনসংযোগ ও যোগাযোগ বিভাগের টিম লিড হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গবেষণা ও উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ করতে নিটার সাইন্স সোসাইটির ১৬তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন