পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম কনসার্টে অংশ নিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন। বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাতে রাজধানীতে পৌঁছান পাকিস্তানের এই গায়ক। দীর্ঘদিন পর তাকে বাংলাদেশে পেয়ে ভক্তদের মধ্যে যেমন উচ্ছ্বাস দেখা গেছে, তেমনি তার এই সফরকে ঘিরে ভিন্ন মতও সামনে এসেছে। প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সংগীতশিল্পী মুহিন খান।
বৃহস্পতিবার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে কনসার্টের আয়োজকদের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
মুহিন লেখেন, নাম দিয়েছে কনসার্ট সোসাইটি ফর বাংলাদেশ। এদের বাংলাদেশ নিয়ে কোনো চিন্তা নাই। বার বার ফ্যাসিবাদের সাথে চলে আর বেসুরো লোকদের নিয়া আসে। এদের বাপের ক্ষমতা থাকলে এদেরকে নিয়ে ওদের দেশে এই অনুষ্ঠান করে দেখাক।
স্ট্যাটাসে আতিফ আসলামের পাশে থাকা এক ব্যক্তির দিকেও ইঙ্গিত করে তিনি লেখেন, এই সাদা ভদ্র লোক অরিজিনাল পাকি দালাল। আপনি বা এরা দেশের শিল্পী বাঁচান আন্দোলনে কখনো আসেনি। আবার এরাই ফ্যসিবাদের সাথে ১৭ বছর আঁতাত করে এখনো সরব। ধিক্কার জানাই… আমাদের দেশের শিল্পীদের মেরে ফেলার জন্য এরাই দ্বায়ী…, আমাদের দেশের শিল্পী বাঁচান।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মুহিন আরও লেখেন, ‘এদেশে বন্যা বয়ে যাচ্ছে অথচ ভণ্ডরা ভ্রুক্ষেপহীন। আগে আমাদের সংস্কার করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
স্ট্যাটাসের শেষদিকে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সুদৃষ্টি আশা করি।’ একই সঙ্গে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন।
মুহিন খানের এই পোস্ট প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। একদল নেটিজেন দেশীয় শিল্পীদের সুযোগ ও অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবিতে মুহিনের বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে অনেকেই মনে করছেন, আন্তর্জাতিক মানের শিল্পীদের বাংলাদেশে এনে কনসার্ট আয়োজন দেশের সংগীতপ্রেমীদের জন্য ইতিবাচক এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্যও তা গুরুত্বপূর্ণ।
পড়ুন : বিশ্ববাজারে ফের ১০০ ডলার ছাড়াল জ্বালানি তেলের দাম
সা/


