মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের দোরগোড়ায় কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে গত ১ বছরের বেশী সময় ধরে ছুটির দিনে বিভিন্ন প্রদেশে কনস্যুলার সেবা দিয়ে চলছে দূতাবাস। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৫ ও ২৬ জুলাই ( শনি ও রবিবার) তারিখে বাংলাদেশ হাইকমিশন, কুয়ালালামপুরের একটি প্রতিনিধি দল জোহর বাহরুর অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউসে বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প পরিচালনা করেন।
দুই দিনব্যাপী এই ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট, পাসপোর্ট বিতরণ এবং কনস্যুলার লেটার (Same Person Letter) সংক্রান্ত সেবা প্রদান করা হয়। এ কার্যক্রমে মোট ৩২২টি
ই-পাসপোর্টের এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করা হয়।
তাছাড়া ৪২ টি অন্যান্য কনস্যুলার সেবা ( Same Person/Passport data correction letter, LoI ( Singapore letter etc.) দেয়া হয় এবং ট্রাভেল পারমিটের আবেদন জমা নেয়া হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরবচ্ছিন্ন পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করতে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের এ ধরনের বিশেষ কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান দূতাবাসের এক কর্মকর্তা।
মালয়েশিয়ায় কনস্যুলার সেবা নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে সব সময় পাহাড় সমান অভিযোগ ছিলো, বিশেষ করে পাসপোর্ট সেবা। বর্তমানে সাপ্তাহিক ছুটির দিন গুলো দূতাবাসের বিভিন্ন প্রদেশে কনস্যুলার সেবা দিচ্ছে। ছুটির দিন হওয়ায় ও একদিনে কার্যক্রম শেষ করতে পেরে তাদের অভিযোগের পরিমাণ কমে এসেছে।
তবে সরাসরি পাসপোর্ট সংগ্রহে ভোগান্তি কমে নাই। কুয়ালালামপুরে দূতাবাসের কার্যক্রম তিন স্থানে হওয়ায় দালালের খপ্পরে পড়ে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রহস্তর পাশাপাশি সময় লাগে বেশি। কুয়ালালামপুরে পাসপোর্ট সেন্টার থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করে আবার যেতে হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইএসকেএল।
প্রবাসীদের দাবি পাসপোর্ট সেন্টার বা ইএসকেএল সার্ভিস একই স্থানে না হওয়ায় আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারা। দূতাবাস ও সরকারের কাছে দাবি পাসপোর্টের সেবা একই স্থানে দেওয়ার। এছাড়াও বিভিন্ন প্রদেশে স্থানীয় ভাবে কনস্যুলার সেবা দেওয়ার কথা বলেন প্রবাসীরা।
পড়ুন : দেশের বাজারে আরও বাড়ল সোনার দাম
সা/


