হবিগঞ্জে ছাত্রদল ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০-৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত প্রায় ১১টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রুকন।
অভিযোগে নাম উল্লেখ করা ব্যক্তিরা হলেন- এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, হবিগঞ্জ পৌর এনসিপির আহ্বায়ক নুর আলম চৌধুরী, ফকরুদ্দিন জাকি, মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, রুহাম গাজী, মাহফুজুর রহমান চৌধুরী, নাহিদুল ইসলাম তারেক, আবু বকর মোহাম্মদ পোলাদ এবং ওয়াদুদ মাহমুদ চৌধুরী (৫৫)।
অভিযোগ বলা হয়, গত ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনের প্রধান সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শহিদ রিপন শীলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং আলোচনা সভায় যোগ দিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি উসকানিমূলক স্লোগান দিতে দিতে তাদের ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলায় ছাত্রদল নেতা মাহফুজ চৌধুরীর ডান কাঁধে লোহার রডের আঘাতে হাড় ভেঙে যায়। এছাড়া মোজাক্কির হোসেন ইমনের মাথায় ইটের আঘাত লেগে তিনি গুরুতর জখম ও রক্তাক্ত হন।
এছাড়া হামলাকারীরা আহতদের কাছে থাকা একাধিক আইফোন (আইফোন ১১, ১৩, ১৪ ও ১৫) এবং নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রুকন বলেন, এনসিপির নেতাকর্মীরা অতর্কিতভাবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় আমরা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
এ বিষয়ে জানতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ এবং হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পড়ুন : মার্কিন নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ সতর্কতা শিথিল
সা/


