ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে ১৭৭২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজশাহী জেলা গঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে এই জেলা ভেঙে বগুড়া, পাবনা, নাটোর, নওগাঁ ও নবাবগঞ্জ জেলা গঠিত হয়। সম্প্রতী এই বগুড়া জেলাকে বিভাগে রূপান্তর করার যৌক্তিক ও অযৌক্তিক নিয়ে বেশ সমালোচনা চলামান রয়েছে। বর্তমান ৮টি জেলা নিয়ে রাজশাহী বিভাগ হয়েছে। কিন্ত ১৯৭২ সালে রাজশাহী জেলা থেকেই নতুন জেলার সৃষ্টি হয়। তবে বগুড়া বিভাগ হওয়াটা প্রাচীন ঐতিহ্যের ইতিহাসকে বিকৃতি করা।
রাজশাহী বিভাগ- রাজশাহী শহরে রাজশাহী বিভাগের স্থায়ী কার্যালয় স্থাপন হয়েছিল বিভাগ সৃষ্টির ১১৮ বছর পরে। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে সর্ব প্রথম বাংলায় যে কয়টি বিভাগ স্থাপন হয়েছিল রাজশাহী তার মধ্যে একটি। ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিসের শাসনামলে দশসালা বা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত পরিবর্তনের পর বাংলা ও উড়িষ্যার কলিকাতা, মুর্শিদাবাদ, পাটনা ও ঢাকায় কোর্ট অব সার্কিট স্থাপন করা হয়। ১৮২৯ সালে এ কোর্ট অব সার্কিট উঠিয়ে দিয়ে রেভিউনিউ কমিশনার পদ সৃষ্টি হয়। তখন থেকে রাজশাহী বিভাগের উৎপত্তি। ব্রিটিশ সরকার কমিশনার পদ সৃষ্টির জন্য ঞযব ইবহমধষ জবাবহঁব ঈড়সসরংংরড়হবৎং জবমঁষধঃরড়হ,১৮২৯ জারি করে।
প্রথমে রাজশাহী বিভাগের সদর দপ্তর স্থাপন হয়েছিল বর্তমান ভারতের পশ্চিম বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর শহরে। ১৮৭৫ সালে মুর্শিদাবাদ জেলা রাজশাহী বিভাগ হতে প্রেসিডেন্সি বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হলে বিভাগের সদর দপ্তর তৎকালীন রামপুর বোয়ালিয়া শহরে (বর্তমান রাজশাহী মহানগরী) স্থানান্তরিত হয়েছিল এবং ছিল ১৮৮৮ সাল পর্যন্ত ছিল। সে সময় এ মহানগরীর সঙ্গে রেলপথের যোগাযোগ না থাকার কারণে ১৮৮৮ সালে বিভাগের সদর দপ্তর নিয়ে যাওয়া হয় জলপাইগুড়িতে। তবে মাহবুব সিদ্দিকীর অবিভক্ত রাজশাহী জেলা ও বিভাগ গঠন প্রশাসনিক ক্রমবিকাশ গ্রন্থের তথ্যানুসারে, ১৮৭৭ সালে রাজশাহী বিভাগের সদর দপ্তর রামপুর বোয়ালিয়া থেকে জলপাইগুড়িতে স্থানান্তর করা হয়েছিল। ১৮৭৮ সালে জলপাইগুড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অধিকাংশ সরকারি অফিস-আদালত ধ্বংস হয়ে যায়। বিভাগীয় কমিশনারের অফিসটি পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। এ ঘটনার পর পরই বিভাগীয় কমিশনারের অফিস জলপাইগুড়ি থেকে রাজশাহীতে স্থানান্তর হয়েছিল। পরবর্তী দশ বছর এখানে অবস্থান করে ১৮৮৮ সালে আবারো জলপাইগুড়িতে যায়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগ হলে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে। এর ফলে বিভাগীয় সদর দপ্তর স্থাপিত হয় রাজশাহী শহরে।
ওই সময় বগুড়া জেলার গুঞ্জনতো দুরের কথা তার গন্ধও ছিলনা। “প্রথম উপযুক্ত হও পরে দাবি করে” রাজশাহী শুধু এই জেলার স্থানীয়দের গর্ভ নয়, সমগ্র দেশের প্রতিটি মানুষের পছন্দের এবং নিজেদের শহর দাবিদার। একটি বিভাগ করার ঘোষণা বা প্রস্তুতীর জন্য কোটি কোটি টাকার ব্যায়ভার। যে সময় দেশে অর্থনৈতিক, আইন র্শঙ্খলা বিপর্যয় ওই সময় বৃহত প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরী নহে। অপরদিকে রাজশাহী বিভাগের সকল জেলার যোগাযোগ এবং কার্যালয়ের সকল কর্মকান্ড পরিচালনায় এই বিভাগ আন্তরিক। তদুপরি রাজশাহী ও বগুড়া জেলার মধ্যে কিছু বৈশিষ্ঠ তুলে ধরা হলো।
রাজশাহী জেলার মোট আয়তন ২,৪০৭.০১ বর্গকিলোমিটার। রাজশাহী শহর (সিটি কর্পোরেশন) এলাকা ভেদে সিটি কর্পোরেশনের আয়তন প্রায় ৯৬.৬৮ বর্গকিলোমিটার (বর্তমানে সম্প্রসারিত সীমানাসহ)। শিক্ষার হার (জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী): জেলা পর্যায়ে সার্বিক সাক্ষরতার হার ৭৩.৮১%। শহর এলাকায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় শিক্ষার হার ৮৪.৬১%।
শিল্প-কারখানার বর্তমান অবস্থান রাজশাহী ঐতিহ্যগতভাবে “রেশমনগরী” সিল্কসিটি নামে পরিচিত। বর্তমানে জেলার শিল্পখাতে রেশম শিল্প: এটি রাজশাহীর প্রধান ঐতিহ্যবাহী শিল্প। রাজশাহী বিসিক শিল্প নগরীতে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি সিল্ক কারখানাগুলো (যেমন- বিসিক সিল্ক, সোপুরা সিল্ক, উষা সিল্ক) রাজশাহীর পরিচয় বহন করে।
বিসিক শিল্পনগরী: রাজশাহী সদরে রয়েছে ‘বিসিক শিল্পনগরী-১’ এবং শিল্প সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রায় ৩০০ একর জমিতে তৈরি করা হয়েছে ‘বিসিক শিল্পনগরী-২’। অন্যান্য শিল্প: কৃষিভিত্তিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ (আম ও টমেটো প্রসেসিং), কোল্ড স্টোরেজ, অটো রাইস মিল, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্নিচার শিল্প, জুট মিল এবং প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে। এছাড়া গোদাগাড়ী ও বাঘা উপজেলায় চিনি ও কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার প্রাধান্য রয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা (রাজশাহী জেলা) রাজশাহী “শিক্ষা নগরী” হিসেবে সমাদৃত। সমগ্র রাজশাহী জেলায় সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান চিত্র: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: রাজশাহী জেলায় মোট ১,০৫৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয় (উচ্চ বিদ্যালয়): জেলায় মোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৫০টিরও বেশি (যার মধ্যে ২৫টির বেশি পুর্ণাঙ্গ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে, যেমন রাজশাহী জেলা স্কুল, সরকারি পি এন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিরোইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ইত্যাদি)। উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ: সমগ্র জেলায় সরকারি ও বেসরকারি মিলে ১৫০টিরও বেশি কলেজ এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য সরকারি কলেজ, রাজশাহী কলেজ, নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ ইত্যাদি। এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের মতো শীর্ষ সারির জাতীয় প্রতিষ্ঠান এই জেলায় অবস্থিত)। এই শহরে মোট ৪৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। যার কারনে এই শহরের নাম শিক্ষা নগরী। তার পাশে সুনাম গ্রীন এন্ড ক্লিন সিটি নামে সুনাম বয়ে চলেছে।
রাজশাহী থেকে জন্ম নেওয়া বগুড়ার ১৮৭৬ সালের ১ জুলাই শহরকে কেন্দ্র করে প্রথম বগুড়া প্রতিষ্ঠা হয়। মিউনিসিপালটি’ (পৌরসভা) গঠিত হয়। এর আয়তন ২০০৬ সালে পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণের পর বর্তমানে বগুড়া শহরের (পৌরসভা-সিটি কর্পোরেশন এলাকা) মোট আয়তন ৬৯.৫৬ বর্গকিলোমিটার। শিক্ষার হার শহরের শিক্ষার হার: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য অনুযায়ী বগুড়া শহর এলাকায় শিক্ষার (সাক্ষরতার) হার ৮৭.৮৭%।(উল্লেখ্য, সম্পূর্ণ বগুড়া জেলা পর্যায়ে সার্বিক শিক্ষার হার প্রায় ৫৫.৫%।
বগুড়া জেলার শিল্প-কারখানার বর্তমান অবস্থান উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যিক হাব হলো বগুড়া। সাম্প্রতিক সময়ে জেলাটিতে কৃষিভিত্তিক ও প্রযুক্তি নির্ভর শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে: হালকা প্রকৌশল ও কৃষি যন্ত্রপাতি শিল্প: বগুড়া সদরে ৫০০টিরও বেশি কৃষি যন্ত্রাংশ তৈরির ওয়ার্কশপ, ৫০০টি সাধারণ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা এবং ৭৫টির বেশি ঢালাই শিল্প (ফাউন্ড্রি) কারখানা রয়েছে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কৃষি যন্ত্রপাতির বাৎসরিক চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশই জোগান দেয় বগুড়ার এসব কারখানা, যার বাৎসরিক লেনদেন প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা। তাঁত ও টেক্সটাইল শিল্প আদমদীঘি উপজেলার শাঁওইল ক্লাস্টারভিত্তিক হস্তচালিত ও পাওয়ার লুম শিল্পের জন্য খ্যাত, যেখানে কম্বল, চাদর ও তোয়ালে তৈরি হয়। শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১২০টি বৃহৎ শিল্প, ১৯টি মাঝারি শিল্প, ২,৩৫১টি ক্ষুদ্র শিল্প, ৭৪৫টি কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং ১৭ হাজার এর বেশি কুটির শিল্প নিবন্ধিত রয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা (বগুড়া সদর ও শহর এলাকা) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: বগুড়া সদর উপজেলা-শহর এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১০০টি। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শহর এলাকায় প্রধান ২টি ঐতিহ্যবাহী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেগুলো হলো বগুড়া জিলা স্কুল, বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি কলেজ: শহর এলাকায় উল্লেখযোগ্য সরকারি কলেজের মধ্যে রয়েছে সরকারি আজিজুল হক কলেজ, সরকারি শাহ সুলতান কলেজ সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ, বগুড়া সরকারি কলেজ (এছাড়াও শহরে বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজ, পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বেশ কিছু আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি উচ্চ মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
রাজশাহী বিভাগ ভেঙে বগুড়াকে কেন্দ্র করে একটি নতুন প্রশাসনিক বিভাগ গঠনের প্রস্তাব ও সামাজিক দাবি দীর্ঘদিনের। একটি নতুন বিভাগ গঠনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক, ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক এবং জনসংখ্যা সংক্রান্ত বেশ কিছু শক্তিশালী যৌক্তিকতা রয়েছে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও চমৎকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার: ভৌগোলিক দিক থেকে বগুড়া জেলাকে উত্তরবঙ্গের “প্রবেশদ্বার” (এধঃবধিু ঃড় ঘড়ৎঃয ইবহমধষ) বলা হয়। কেন্দ্রীয় অবস্থান থেকে বগুড়ার সাথে পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, এবং নওগাঁর সরাসরি ও সহজ সড়ক ও রেল যোগাযোগ রয়েছে। ঢাকার সাথেও উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ বগুড়া হয়েই সবচেয়ে দ্রুত ও সুবিধাজনক।
প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও জনগণের দুর্ভোগ হ্রাস দূরত্ব কমবে: বর্তমানে জয়পুরহাট বা সিরাজগঞ্জবাসীকে বিভাগীয় কাজ (যেমন: উচ্চ আদালত, আঞ্চলিক কমিশনার অফিস, বা আঞ্চলিক বিভিন্ন সরকারি প্রশাসনিক দাপ্তরিক কাজ) এর জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে রাজশাহী শহরে যেতে হয়। দ্রুত সেবা: নতুন বিভাগ হলে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর সাধারণ মানুষের বিভাগীয় সদরদপ্তরে পৌঁছাতে সময় ও যাতাযাত খরচ অনেক কমে যাবে।
অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও শিল্প সম্ভাবনা শিল্প হাব: বগুড়া উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য কেন্দ্র। এখানে রয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ কৃষি যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারী লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প (বাংলাদেশে ব্যবহৃত ৮০% কৃষি যন্ত্রাংশ এখানে তৈরি হয়)। রাজস্ব আয় বগুড়ায় ছোট-বড় কয়েক হাজার শিল্পকারখানা ও বৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যবসা কেন্দ্র থাকায় এখান থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করে। বিভাগীয় মর্যাদা পেলে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাজস্ব আহরণ আরও বেগবান হবে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র: বগুড়ায় সরকারি আজিজুল হক কলেজ, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, টিএমএসএস (ঞগঝঝ) মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালসহ একাধিক উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা ইতিমধ্যে বিদ্যমান। শহরাঞ্চলের পরিধি: শহরের জনসংখ্যা, আয়তন, এবং অর্থনৈতিক কর্মকা- একটি বিভাগীয় সদরদপ্তরের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত মানদ- অনেকটাই পূরণ করে। জনসংখ্যা ও প্রশাসনিক ভারসাম্য- রাজশাহী বিভাগের বর্তমান জনসংখ্যা ২ কোটিরও বেশি। বগুড়াসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোকে নিয়ে নতুন বিভাগ গঠন করলে উভয় বিভাগের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে এবং সুশাসন ও তদারকি বাড়বে।
একটি নতুন বিভাগ গঠনের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো “প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ”। ভৌগোলিক কেন্দ্রীয়তা, অর্থনৈতিক শক্তিমত্তা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে রাজশাহী বিভাগ ভেঙে বগুড়াকে বিভাগ করা প্রশাসনিক কার্যকারিতা ও জনকল্যাণের নিরিখে যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত।
পড়ুন : দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকা
সা/


