রাজধানীর উত্তরা র্যাব-১ এর ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করছেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম।
গত ২১ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর র্যাব, ডিজিএফআই এবং ডিবির (ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ) গোপন বন্দিশালাগুলো পরিদর্শনের জন্য ট্রাইব্যুনালে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন জানান। ওই আবেদনের শুনানিতে তিনি বিগত সরকারের আমলে এসব গোপন সেলে বিরোধী রাজনৈতিক ও মতাদর্শের মানুষদের বেআইনিভাবে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন ও গুম করার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন।
প্রসিকিউশনের সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই ট্রাইব্যুনাল-১ এই পরিদর্শনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ প্রদান করেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিরোধী মতাদর্শের লোকদের গুম ও নির্যাতনের জন্য আলোচিত র্যাবের ‘টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন’ (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘর’ তৈরি করা হয়েছিলো। সেই আয়না ঘর পরিদর্শন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম। আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র্যাব-১ সদর দপ্তরের এই গোপন বন্দিশালা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তারা।
পরিদর্শনের সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারসহ ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য—বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তাদের সাথে আরও অংশ নেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার, তাসমিরুল ইসলামসহ পুরো প্রসিকিউশন টিম এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
পড়ুন : র্যাবের ‘আয়নাঘরে’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর


