দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই স্বল্পমেয়াদি বিশেষ অধিবেশন ডাকার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এটি ঠিক কবে থেকে শুরু হবে, তা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।
চিফ হুইপ বলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অধিবেশন আহ্বানের সুনির্দিষ্ট তারিখটি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।”
এর আগে বৃহস্পতিবারই বহুল প্রতীক্ষিত ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৩ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে। এরপর ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ আগস্ট।
সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
দেশের সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়ে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন। তবে যাচাই-বাছাই শেষে যদি মাত্র একজন বৈধ প্রার্থী থাকেন, সেক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হবে না এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি নির্বাচিত ঘোষিত হবেন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর থেকে রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য রয়েছে। বর্তমানে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
পড়ুন : দলীয় নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা পরিহারের আহ্বান বিএনপি এমপির


