৩০০ রানের লক্ষ্য খুব একটা অসম্ভব ছিল না। কিন্তু রশিদ খানের লেগ স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারল না আয়ারল্যান্ড। ৬ উইকেটের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে আফগানিস্তানকে ৯২ রানের বড় জয় উপহার দিয়েছেন এই তারকা স্পিনার।
ব্রেডি ক্রিকেট ক্লাবে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৪৭ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৯ রান তোলে আফগানিস্তান। জবাবে ৩৩.৪ ওভারে ২০৭ রানে গুটিয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। ৭.৪ ওভারে মাত্র ৩৪ রান দিয়ে ৬ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হয়েছেন রশিদ খান। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল আফগানিস্তান। প্রথম ম্যাচটি পরিত্যাক্ত হয় বৃষ্টির কবলে।
টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। শুরুতে রহমানউল্লাহ গুরবাজের ৩০ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংসে দ্রুত রান তোলে আফগানিস্তান। তবে আসল ভিত গড়ে দেন ইব্রাহিম জাদরান ও সেদিকউল্লাহ আতাল। দ্বিতীয় উইকেটে ১১৬ রানের জুটিতে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন তারা।
আতাল ৫০ বলে ৪৫ রান করে বিদায় নিলেও ইব্রাহিম ছিলেন আরও রক্ষনাত্বক। ৯৭ বলে ৮৪ রানের পরিণত ইনিংসে আটটি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকান তিনি। শেষ দিকে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ২৪ বলে ৩৩ এবং অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহিদি ২১ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললে ৩০০ ছোঁয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায় আফগানিস্তান।
আয়ারল্যান্ডের হয়ে মার্ক অ্যাডায়ার ও জাই মুন্দ্রা দুটি করে উইকেট নেন।
২৯৯ রানের জবাবে শুরুতেই অধিনায়ক পল স্টার্লিংকে হারায় আয়ারল্যান্ড। তবে অ্যান্ডি বালবার্নি ও কেড কারমাইকেলের ৭২ রানের জুটি ম্যাচে ফেরার আশা দেখাচ্ছিল স্বাগতিকদের। বালবার্নি ৩৬ ও কারমাইকেল ৬২ রান করেন।
কারমাইকেল আউট হওয়ার পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় আফগানিস্তানের হাতে। রশিদ খান একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন। কার্টিস ক্যাম্ফারের ২৩ ও বেন ক্যালিটজের ২৭ রানের ছোট প্রতিরোধও বেশিক্ষণ টেকেনি।
শেষ পর্যন্ত ৩৩.৪ ওভারে ২০৭ রানেই থামে আয়ারল্যান্ডের ইনিংস। রশিদের ৬ উইকেটের পাশাপাশি আজমতউল্লাহ ওমরজাই নেন ৩টি উইকেট। ৯২ রানের দাপুটে জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেল আফগানিস্তান।
পড়ুন : আফ্রিকায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ
সা/


