বিজ্ঞাপন

বগুড়ায় ৪০০ একরের বিসিক শিল্প পার্কের পরিকল্পনা, ৬-৭ শতাংশ সুদে ঋণের আশ্বাস শিল্পমন্ত্রীর

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রায় ৪০০ একর জায়গাজুড়ে একটি বিসিক শিল্প পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি। তিনি বলেন, চলতি শীত মৌসুমেই প্রকল্পটির কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বগুড়া শহরের হোটেল মমো ইন-এ বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতা ও শিল্প উদ্যোক্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বগুড়ার বিদ্যমান বিসিক শিল্পনগরীর অধিকাংশ প্লট ইতোমধ্যে বরাদ্দ হয়ে গেছে। সরকারের জরিপেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন শিল্প প্লটের ব্যাপক চাহিদার বিষয়টি উঠে এসেছে। এ প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে নতুন শিল্প পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের শিল্প খাতকে প্রতিযোগিতামূলক করতে উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি স্বল্পসুদে অর্থায়নের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। ডাবল ডিজিট সুদে ঋণ নিয়ে শিল্প বা ব্যবসা দীর্ঘমেয়াদে সফলভাবে পরিচালনা করা কঠিন। তাই উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং অর্থায়নের ব্যয় কমানোর ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য গ্যাস, বিদ্যুৎসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সহজলভ্য করার পাশাপাশি অর্থায়নের খরচ কমাতে কাজ করছে সরকার। নতুন বিসিক শিল্প পার্কে যারা শিল্প স্থাপন করবেন, তাদের জন্য সরকারের ক্রেডিট হোলসেলিং স্কিমের আওতায় ৬ থেকে ৭ শতাংশ সুদে ঋণের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু শিল্প পার্ক নির্মাণ করলেই সরকারের দায়িত্ব শেষ হবে না। সেখানে কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগ এবং সম্ভাবনাময় শিল্পখাত সম্পর্কে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা যাতে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বক্তব্যের শেষাংশে মন্ত্রী বলেন, বগুড়া শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিক ও আবেগের জায়গা থেকেও দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা। জাতীয় প্রয়োজনেই বগুড়ার উন্নয়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দেবে।

তিনি উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বগুড়ার শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

পড়ুন:সোমবার এসএসসি ও সমমানের ফল, মোবাইলে জানবেন যেভাবে

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন