বিজ্ঞাপন

সৈয়দপুর কারখানায় ডিএস শাহ সুফির যোগদানের পর থেকে শ্রমিকদের ব্যাপক উন্নয়ন

দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) নূর মোহাম্মদ শাহ সুফি যোগদানের পর থেকে কারখানার সার্বিক কর্মপরিবেশের অগ্রগতিসহ শ্রমিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা উন্নয়নমূলক কাজ ত্বরান্বিত হয়েছে। তবে তাঁর এই সততা ও সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি অসাধু চক্র তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কারখানার সাধারণ শ্রমিক ও শ্রমিক নেতারা।

বিজ্ঞাপন

​শ্রমিক নেতাদের দাবি, সম্প্রতি রেলওয়েতে ই-জিপি (e-GP) টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাবতীয় কেনাকাটা ও কাজের কার্যাদেশ সম্পন্ন হয়। সম্পূর্ণ ডিজিটাল এই প্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার কোনো সুযোগ নেই এবং এতে সরাসরি ডিএস নূর মোহাম্মদ শাহ সুফির একক কোনো সিদ্ধান্ত বা হাত থাকে না। অথচ টেন্ডার সংক্রান্ত নিয়মকানুন না বুঝে এবং ব্যক্তিগত সুবিধা লাভে ব্যর্থ হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর নামে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে।

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নেটিজেনরা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন, তিনি যখন লালমনিরহাটে বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, তখনও সততার সাথে প্রশাসনিক সংস্কার করেছিলেন। সেখান থেকে তাঁর চলে আসার পর এখনও লালমনিরহাটের কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষ তাঁর শূন্যতা অনুধাবন করছেন। সৈয়দপুর কারখানায় তাঁর হাত ধরে যখন শ্রমিকদের ভাগ্যোন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন এমন ষড়যন্ত্রের কারণে কারখানা আবারও অভিভাবকহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সচেতন মহল।

​কারখানার শ্রমিক নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, কিছু ব্যক্তি নিজেদের অশুভ উদ্দেশ্য হাসিল করতে না পেরে একজন সৎ ও উন্নয়নমুখী কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখতে এবং শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষায় ডিএস শাহ সুফির পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা।

​সার্বিক বিষয়ে মুঠোফোনে কথা হয় সৈয়দপুর কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) নূর মোহাম্মদ শাহ সুফির সাথে। চলমান আলোচনা ও অপপ্রচারের জবাবে অত্যন্ত শান্ত ও বিনয়ী কণ্ঠে তিনি বলেন আমার কারো প্রতি কোনো অভিযোগ বা ক্ষোভ নেই। সরকারি চাকরি করি; প্রশাসন ও রাষ্ট্র আমাকে যেখানেই দায়িত্ব দেবে, আমি সেখানেই সততার সাথে কাজ করব। আমার রিজিক যেখানে লিখা আছে, সৃষ্টিকর্তা আমাকে সেখানেই নিয়ে যাবেন। যারা আমাকে নিয়ে না বুঝে অপপ্রচার বা ষড়যন্ত্র করছেন, আমি তাদের জন্যও দোয়া করি তারা যেন ভালো থাকেন, সুখে থাকেন। আমি কেবল আমার দায়িত্বটুকু নিষ্ঠার সাথে পালন করে যেতে চাই।

​একজন সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এমন হৃদয়স্পর্শী ও উদার মনোভাব সাধারণ শ্রমিক ও স্থানীয় জনগণের হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করেছে। সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনিক নিষ্ঠাকে রাজনীতিকীকরণ বা ব্যক্তিস্বার্থের বলি বানানো কারখানার সার্বিক উন্নয়নের পথকেই বাধাগ্রস্ত করবে।

পড়ুন : এসএসসির ফল কাল, ওয়েবসাইট ও এসএমএসে যেভাবে জানবেন

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন