বিজ্ঞাপন

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ২২৪, ধ্বংসস্তূপে আটকা অনেকে

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ধসে পড়া ভবন ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ভূমিকম্পে ধসে পড়া কয়েক হাজার ভবনের নিচে অসংখ্য মানুষ আটকে থাকায় এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার সকালে কলম্বিয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিস ১৬৫ জনের মৃত্যুর তথ্য জানায়। এরপর ক্যালিতে আরও ১০ জনের মরদেহ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায় মৃতের সংখ্যা ২২৪ জনে পৌঁছেছে।

গতকাল সোমবার ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এটিকে ‘ওয়ান্স ইন এ ডিকেড’ ভূমিকম্প হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। এটি সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে চোকো নামের একটি পাহাড়ি প্রদেশে। ভূমিকম্পটির কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী বোগোতা এবং অন্যান্য জনবহুল শহরগুলোতে।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে তার ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলারদো দে লা এসপ্রিল্লা মাত্র গত শুক্রবার শপথ গ্রহণ করেন। এরমধ্যেই দেশটিতে আঘাত হানল এত শক্তিশালী ভূমিকম্প। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যে তিনি দেশজুড়ে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কলম্বিয়ায় সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ভূমিকম্পে পশ্চিম কলম্বিয়ার ক্যালি, পেরেইরা, কুইবদো ও মানিজালেসসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এটি প্রতিবেশী দেশ ইকুয়েডর ও পানামাতেও অনুভূত হয়েছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমারে। ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ২১টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।

পড়ুন : ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় নিহত ১২

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন