বিজ্ঞাপন

পেকুয়ায় চিংড়িঘেরে লুটপাট, গুলিবিদ্ধ ১

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে একটি চিংড়িঘেরে লুটপাট চালিয়েছে একদল অস্ত্রধারী দুর্বত্ত। এসময় অস্ত্রধারীর গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।  আহত মুহাম্মদ বাবুলকে (৪০) চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।  পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টায় দিকে মগনামার দরদরিঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া হামলায় আরও ২-৩জন আহত হয়েছে বলে ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে দাবি করেন। খবর পেয়ে রাতেই পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয়সুত্রে জানাগেছে, মগনামা ইউনিয়নের দরদরিঘোনা এলাকায় একটি চিংড়িঘের নিয়ে  মুহুরিপাড়ার মৌলভী মাহমুদুল হক ও দরদরিঘোনা এলাকার আবু ছিদ্দিক গংদের সঙ্গে একই ইউনিয়নের কুমপাড়া এলাকার  মুহাম্মদ বাবুল গংদের বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এ বিরোধ প্রকট আকার ধারণ করে। বাবুল গং চলতি মৌসুমে জমি লাগিয়াত নিয়ে সেখানে চিংড়ি চাষ করছেন।  আবু ছিদ্দিক গং ওই ঘের জবরদখলের চেষ্টা চালান। গভীররাতে দরদরিঘোনা এলাকায় চিংড়িঘেরে কয়েক রাউন্ড গুলির আওয়াজ শুনতে পেয়েছি। বাবুলসহ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী গুলিবিদ্ধ মুহাম্মদ বাবুল জানান, প্রায় ৮০ একরের চিংড়িঘের আমরা ১১জন  যৌথ অংশীদার। রাতে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ঘেরে হানা দেয়। তখন আমরা ঘেরের বাসায় ছিলাম।  সন্ত্রাসীরা আমাদের লক্ষ্য করে অন্তত ১০-১৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে।  গুলি খেয়ে পানিতে লুটিয়ে পড়ি। সন্ত্রাসীরা ঘের থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকার মাছ, মোবাইলসহ মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, গত এক মাস ধরে আমাদের চিংড়িঘের দখলের চেষ্টা করছে মুহুরিপাড়ার মাহমুদুল হক ও দরদরিঘোনার বাসিন্দা আবু ছিদ্দিক গং। তাদের নেতৃত্বে ভাড়াটে অস্ত্রধারী নিয়ে ঘেরে হামলা, লুটপাট ও গুলি করেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবু ছিদ্দিক বলেন,  এটি আমাদের চিংড়িঘের। বাবুল গং জোর করে দখলে নিয়েছে। আমাদের উপর তারা হামলা করেছে। গুলি কারা করেছে জানিনা।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মেহেদী হাসান বলেন, গুলির বিষয়ে অবগত নই। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পড়ুন : নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধের মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন