বিজ্ঞাপন

হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, মিথ্যাচার, গুজব, উসকানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে শহীদি জামে মসজিদ কনফারেন্স হলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব অভিযোগ করেন।

ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেন, সম্প্রতি নোয়াখালী জেলা স্কুল মাঠে হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে আয়োজিত একটি ধর্মীয় সমাবেশে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক মিথ্যাচার, হুমকি, উসকানি ও গালাগাল করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ওই সমাবেশে বক্তারা ‘সারা দেশে হেযবুত তওহীদের কবর রচনা করা হবে’, ‘সরকার হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ না করলে সারাদেশ অচল করে দেওয়া হবে’ এবং ‘হেযবুত তওহীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে’-এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। এসব বক্তব্য দেশের আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী বলেও দাবি করেন তিনি।

হেযবুত তওহীদের এই নেতা আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসা কেন্দ্রিক একটি গোষ্ঠী দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের সংগঠনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। মিথ্যা তথ্য সংবলিত হ্যান্ডবিল তৈরি করে হাট-বাজার, মসজিদ ও মাদ্রাসায় বিতরণ এবং সভা-সমাবেশ, মসজিদের মিম্বার, জুমার খুতবা ও ওয়াজের মঞ্চে তাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে ।

তিনি বলেন, এসব প্রচারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত ও ক্ষিপ্ত করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে হেযবুত তওহীদের নেতা-কর্মীদের জানমাল, বাড়িঘর, কার্যালয়, স্থাপনা ও উন্নয়ন প্রকল্পে যেকোনো সময় হামলার আশঙ্কা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে হেযবুত তওহীদের মতাদর্শ প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংগঠনের নেতা-কর্মী ও স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম।

মতবিনিময় সভায় নোয়াখালী জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও মাল্টিমিডিয়া গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন : এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন নিয়ে নতুন নীতিমালা করব: শিক্ষামন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন