লঘুচাপের প্রভাবে ঝড়ো হওয়ার আশঙ্কায় দেশের চার সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক সোমবার সকাল সোয়া ১০টায় বলেন, “(লঘুচাপের প্রভাবে) উপকূল অঞ্চলে কিছুটা বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে দেশের অনন্যা এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম।”
এদিন সকাল ৯টায় ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং এর লাগোয়া উত্তর উড়িষ্যা ও উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।
এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং এর কাছাকাছি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে বড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে এ সতর্কবার্তায়।
আবহাওয়ার সকালের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
এর ফলে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্র বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায়। এসময় টেকনাফে ৩৫, লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ২৪, কক্সবাজারে ২৮, নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১৬ ও সিলেটে ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। দেশের অন্যান্য এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে খুবই সামান্য।
একই সময়ে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিবদ্ধ হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদী ও চুয়াডাঙ্গায়।
পড়ুন : রংপুরে ৪ খুন: হত্যার দায় স্বীকার অভিযুক্ত দুই খুনি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের
সা/


