মহাসড়কের বিভিন্ন বাস কাউন্টারের সামনে থেকে থ্রি-হুইলারে যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে বরিশাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ার ৩ ঘন্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। উভয় পক্ষের সাথে দীর্ঘ আলোচনা শেষে প্রশাসনের আশ্বাসে এই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ফলে তিন ঘন্টা অবরুদ্ধ থেকে গন্তব্যে রওয়ানা করেছে ২০ রুটের যাত্রীরা।
এর আগে সকাল দশটার দিকে বরিশালের বানাড়ীপাড়া উপজেলার শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলারের মালিক ও চালকদের সাথে লোকাল বাসের শ্রমিকদের দ্বন্দ্বে এই অবরোধের ঘটনা ঘটে।
বাস শ্রমিকরা জানায়, সকালে থ্রী-হুইলারের মালিক ও শ্রমিকরা স্থানীয় প্রভাব বিস্তার করে প্রায় ২০টি যাত্রীবাহি বাস আটক করে রাখে।
খবর পেয়ে বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের নেতৃবৃন্দরা বেলা বারোটা পর্যন্ত বিষয়টির কোন সমাধান করতে পারেননি।
পরবর্তীতে দুপুর থেকে বরিশাল নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল থেকে দুরপাল্লাসহ সকল অভ্যন্তরীন রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় বাস মালিক ও শ্রমিকরা।
এ দিকে হঠাৎ করে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় চরম দুর্ভোগে পরতে হয়েছিল যাত্রীদের।
শ্রমিকদের দাবি, মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণে একদিকে যেমন যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোঃ মোসাররফ হোসেন জানান, বানরীপাড়া এবং ভুরগাটা থেকে তারা বাসের যাত্রী নিয়ে যায়। থ্রি হুইলারদের কোন কাগজপত্র নেই। আমাদের কাগজপত্র না থাকলে আমাদের গাড়ি নিয়ে যাক। কিন্তু তাদের কাগজপত্র না থাকার পরেও তোরা কিভাবে রোডে গাড়ি চালায়। তাদের সাথে ফয়সালা হয়েছে যে তারা কালিবাড়ির ওখান থেকে গাড়ি চালাবে কিন্তু তারা তা মানেনি ।
মাহেন্দ্র মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ ওয়াহেদুজ্জামান জানান,আজকের যে ঘটনা তা পুরনো কিছু ঘটনার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। মালিক সমিতির কিছু লোক লাঠি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকলেই দেখা যাবে কে কার গাড়ি পিটায়। এটাকে যাচাই করা হোক।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন জানান, বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। দুই পক্ষের সাথেই কথা বলা হয়েছে। উভয় পক্ষের দাবিদাবা মেনে নেয়ার শর্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
পড়ুন:দিনাজপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
ইমি/


