চরফ্যাশনের এক অসহায় জমি বিক্রেতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফখর উদ্দিন নামের এক দলিল লেখকের বিরুদ্ধে জমি বিক্রির ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মঙ্গলবার চরফ্যাশন থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জমি বিক্রেতা চরফ্যাশন উপজেলার হালিমাবাদ গ্রামের মো. আঃ হালিম ওরফে মনির।
চরফ্যাশন থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্রে এবং বাদীর ভাষ্যমতে জানাগেছে, হালিম তার মায়ের নামীয় ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ জমি দুলাল নামের এক ব্যাক্তির কাছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫ শত টাকা মূল্যে বিক্রি করেন এবং দলিল লেখক ফখর উদ্দিন লাইসেন্স সনদ নম্বর ২২৮৯/৫৭ এর মাধ্যমে দলিল সম্পাদন করেন। জমি ক্রেতা দুলাল দলিল লেখক ফখর উদ্দিনের কাছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫শত টাকা বুঝিয়ে দেন। হালিম অভিযোগে বলেন, দলিল লেখক জমি আমার জমি বিক্রির পুরো টাকা না দিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দেন। আমি বাকি ৩৭ হাজার ৫শত টাকা চাইলে দলিল লেখক ফখর উদ্দিন ৭ হাজার টাকা ‘পাওয়ার দলিলের’ খরচ হয়েছে বলে জানান এবং ৩০ হাজার ৫শত টাকা চরফ্যাশন সদর সাব রেজিষ্টারকে দিয়েছেন বলে জানান।
তবে চরফ্যাশনের সাব রেজিষ্টার মো.কাওছার খান বলেন, ‘পাওয়ার দলিলের’ সরকারি খরচ মাত্র ৯২০ টাকা। আমাকে ৩০ হাজার ৫শত টাকা এবং ‘পাওয়ার দলিলের’ খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা দিয়েছে এটা সম্পুর্ন মিথ্যা বানোয়াট। জমি বিক্রেতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখবো এবং দোষী প্রমানিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
দলিল লেখক ফখর উদ্দিন মোবাইলে এই প্রতিবেদককে বক্তব্য দিতে রাজি হননি, চেম্বার যেতে বললেন। চেম্বারে কখন যাবো, তাও বলেননি।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ আল ফরিদ ভূইয়া বলেন, এ প্রসঙ্গে একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পড়ুন : খুলনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মহানগর যুবদলের মশক নিধন কর্মসূচি


