দিনাজপুরে ২৬ আগষ্ট ফুলবাড়ী ট্রাজিডি দিবসে আবারো ৬ দফা ফুলবাড়ী চুক্তি বাস্তবায়নে জোর দাবী জানানো হয়। ২০ বছরেও চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তেল গ্যাস ,খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব প্রফেসর আনু মোহাম্মদ বলেছেন যে কোন অবস্থায় মানুষের জীবন জীবিকা , প্রানী সম্পদ নষ্ট করে জনগনের স্বার্থ বিরোধী প্রকল্প হতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্প কোন টেকসই নয়, বাস্তবায়ন হলে শুধু পরিবেশেই ক্ষতি হবে। ফুলবাড়ীসহ দেশের কোথাও উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা যাবে না।
দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে আজ বুধবার সকাল থেকে ফুলবাড়ীতে তেল গ্যাস ,খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটিসহ বিভিন্ন সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদা ও কালো পতাকা উত্তোলন,নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন,শোক র্যালী ,কালো,কালো ব্যাজ ধারন এবং আলোচনা সভার মাধ্যমে দিনটি পালন করেছে।
সকাল ১১ টায় আনু মোহাম্মদ এর নেতৃত্বে একটি শোক র্যালী ঢাকা মোড় থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে ছোট যমুনা নদীর তীরে শহীদদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানায়।
এর পর ফুলবাড়ীবাসীর ব্যানারে বিশাল একটি শোক র্যালী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। পরে ফুলবাড়ী নিমতলা মোড়ে তেল গ্যাস ,খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আয়োজনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্টিত
উল্লেখ্য ২০০৬ সালের ২৬ আগষ্ট। উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা খনি প্রকল্প বাতিল, জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং বিদেশী কোম্পানী এশিয়া এনার্জীকে ফুলবাড়ী থেকে প্রত্যাহারের দাবীতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। দুপুরে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল নিমতলা মোড়ের দিকে এগুতে থাকলে প্রথমে পুলিশ বাধা প্রদান করে। পুলিশের বাধা পেয়ে বিশাল মিছিলটি জঙ্গী রূপ নেয়। পুলিশ-বিডিআর-এর বেড়িকেট ভেঙ্গে মিছিলটি এগুতে থাকলে আন্দোলনকারীদের উপর টিয়ার সেল, রাবার বুলেট ও নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করা হয়। তৎকালীন বিডিআরের গুলিতে এসময় নিহত হয় আল আমিন, সালেকীন ও তরিকুল। আহত হয় শতাধিক আন্দোলনকারী জনতা।
পড়ুন:অনলাইনে হেরোইন তৈরির কাঁচামালের অবাধ বিক্রয়: ডিএনসি’র অভিযান
ইমি/


