রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার জননী ক্লিনিকে নবজাতকের মুত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বজনদের অভিযোগ ভুল চিকিৎসার কারনে শিশুটি মারা গেছে।
শুক্রবার বিকালে বাঘা পৌর সদরের জননী ক্লিনিকে সিজারিয়ানের পর এক নবজাতকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। শিশুটির অবস্থা অসংখ্য জনক হওয়ায়, চিকিৎসক কামরুজ্জামান দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে পথে মধ্যে শিশুটির মৃর্তু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন (মৃত শিশুর বাবা) শিমুল হোসেন।
এই ঘটনা জানার পরে বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বাঁধা দেন। বিশেষ করে ডা. আখতারুজ্জামানের পক্ষ থেকে ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়। ইতোপূর্বে ওই চিকিৎসক বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাকুরি করতেন। স্থানীয়দের সূত্রমতে অভিযুক্ত চিকিৎসক বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সে সকল রোগীরা তার বিষয়ে জানেন না তারাই কেবল চিকিৎসা নেই।
স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করে বলেন, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ঘটনা ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ রয়েছে। বিগত সময়ে তার বিরুদ্ধে কিছু করা সম্ভব হয়নি। পরিশেষে প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। বর্তমান অসহায় পিতা- মাতা ও স্বজনরা নবজাতক শিশুর মৃতে্যু নির্বাক।
এবিষয়ে চিকিৎসক কামারুজ্জামনাকে একাধিক বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।
পড়ুন : মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের তালিকায় এবার ৩৩৮ বাংলাদেশি এজেন্সি


