সিরাজগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দোকানগুলোতে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামালও আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসাবে এ ঘটনায় প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোররাতে রায়গঞ্জে উপজেলার নিমগাছি বাজারের তিন রাস্তার মোড়ে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। খবর পেয়ে তাড়াশ ও রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুনে সাতটি দোকান ও ভেতরে থাকা মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে, নিমগাছি গ্রামের সোলেমান তালুকদারের ওষুধের দোকান, চণ্ডিভোগ গ্রামের হায়দার আলীর পান-সিগারেটের দোকান, দিগেন্দ্রনাথ সরকারের ফলের দোকান, সাধন কুমার সরকারের স্বর্ণকারের দোকান, ক্ষুদিরাম সরকারের ফলের দোকান, বিষমডাঙ্গা গ্রামের আতাউরের ফালের দোকান এবং পুল্লা গ্রামের আব্দুলার ফলের দোকান।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বলেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও সঞ্চয় দিয়ে গড়ে তোলা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো চোখের পলকে আগুনে শেষ হয়ে গেছে। অনেকেই ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। দোকান ও মালামাল হারিয়ে তারা এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তাড়াশ ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সাতটি দোকানে আনুমানিক ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পড়ুন : বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফা প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা
সা/


