সরকারি চাকরিজীবীদের ৯ম পে-স্কেল প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। যা চলতি বছরের জুলাই থেকে কার্যকর হবে এবং তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে। এর ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন বাড়ছে ৫৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এর অনুমোদন দেয়া হয়।
নবম পে-স্কেল অনুযায়ী, মাসিক ৯ হাজার টাকা বা এর নিচের নিট পেনশন আহরণকারীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন ১০০ শতাংশ, ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশন আহরণকারীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আহরণকারীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত আহরণকারীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা এর উপরের নিট পেনশন আহরণকারীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।
এর ফলে যেসব পেনশনভোগী দীর্ঘদিন আগে অবসরে গমন করেছেন এবং যারা তুলনামূলক কম নিট পেনশন পাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন বৃদ্ধির পরিমাণ অনেক বেশি হবে।
এদিকে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৪২ ও সর্বনিম্ন ১শ’ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাবে। যা বাস্তবায়িত হবে তিন ধাপে। এ ক্ষেত্রে গ্রেড-১ এর জন্য ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রেড-২ এর জন্য ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা, গ্রেড-৩ এর জন্য ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা, গ্রেড-৪ এর জন্য ১ লাখ, গ্রেড-৫ এর জন্য ৮৬ হাজার, গ্রেড-৬ এর জন্য ৭১ হাজার, গ্রেড-৭ এর জন্য ৫৮ হাজার, গ্রেড-৮ এর জন্য ৪৬ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়ও গ্রেড-৯ এর জন্য ৪৪ হাজার, গ্রেড-১০ এর জন্য ৩২ হাজার, গ্রেড-১১ এর জন্য ২৫ হাজার, গ্রেড-১২ এর জন্য ২৪ হাজার ৩শ, গ্রেড-১৩ এর জন্য ২৪ হাজার, গ্রেড-১৪ এর জন্য ২৩ হাজার ৫শ, গ্রেড-১৫ এর জন্য ২২ হাজার ৮শ, গ্রেড-১৬ এর জন্য ২১ হাজার ৯শ, গ্রেড-১৭ এর জন্য ২১ হাজার ৪শ, গ্রেড-১৮ এর জন্য ২১ হাজার, গ্রেড-১৯ এর জন্য ২০ হাজার ৫শ ও গ্রেড-২০ এর জন্য ২০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শুরু হয়। বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের আলোচনার মধ্যে অন্যতম বিষয় ছিল নবম পে-স্কেল প্রস্তাব।
পড়ুন : সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা


