বিজ্ঞাপন

সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ নেই: এফবিসিসিআই

সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী এবং নিত্যপণ্য আমদানিকারক করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। তবে দ্রুত জ্বালানিসংকট নিরসন, সরবরাহব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বাজার স্থিতিশীল রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

গতকাল ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) মতিঝিল কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, চিনি, ভোজ্যতেল, ডাল, আটা, ময়দাসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে এসব পণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ নেই। উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে উৎপাদনমুখী কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

মিল মালিকরা জানান, গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকটের মধ্যেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছেন তারা। তবে আমদানি ও মিল পর্যায়ের উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখা না গেলে বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা বলেন, আমদানি ও মিল পর্যায়ে উৎপাদন সচল না থাকলে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে হকার ও অনিবন্ধিত ব্যবসায়ীদেরও তদারকির আওতায় আনার দাবি জানান কারওয়ান বাজার কাঁচামাল আড়ত ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান সুজন। তিনি বলেন, এসব ব্যবসায়ী তদারকির বাইরে থাকছেন। ফলে তাদের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে বাজারের মূল্যের ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়।

সভায় এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীরসহ বাণিজ্য, শিল্প ও খাদ্য মন্ত্রণালয়, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি), বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন চেম্বার, অ্যাসোসিয়েশন, বণিক সমিতি ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন:আগস্টে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ

ইমি/ ‎

-বিজ্ঞাপন-
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন