বাংলা সংগীতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং গুরু-শিষ্যের চিরন্তন সম্পর্ককে উদযাপন করে সুরের খেয়া আয়োজিত বিশেষ সংগীতসন্ধ্যা ‘গুরু-শিষ্য পরম্পরা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকায়।
অনুষ্ঠানটিতে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের সাবেক নির্বাহী পরিচালক এ এফ এম হায়াতুল্লাহ এবং ড. প্রিয়াংকা গোপ, চেয়ারম্যান সংগীত বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন নজরুলসংগীত শিল্পী শ্রেয়া রায়, যিনি নতুন কুঁড়ি ২০২৫-এর নজরুলসংগীত বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। তিনি তাঁর দুই গুরু বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী ও সঞ্জয় হালদার-এর সঙ্গে সংগীত পরিবেশন করেন। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংগীতের জ্ঞান ও ঐতিহ্যকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরু-শিষ্য সম্পর্কের গুরুত্ব ও সৌন্দর্যকে অনুষ্ঠানের পরিবেশনা বিশেষভাবে তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানে আরও সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী নাদিয়া আরেফির শাওন ও তাপসী রায়। সংগীত আয়োজনে ছিলেন পল্লব সান্যাল ও রবিন্স চৌধুরী।
‘গুরু-শিষ্য পরম্পরা’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সুরের খেয়া সৃজনশীল ও সমকালীন উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতির বৈচিত্র্যময় ধারাগুলোকে তুলে ধরার প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। একইসঙ্গে নতুন প্রজন্মকে দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করে তোলা এবং সংগীত ও সংস্কৃতির প্রতি একটি রুচিশীল ও সমঝদার দর্শক-শ্রোতা গড়ে তোলাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রায় এক বছরের পথচলায় সুরের খেয়া সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য ও বাদ্যযন্ত্রসহ সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিল্পীদের পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সৃজনশীল বিনিময়ের মাধ্যমে একটি প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিসর গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলেছে সংগঠনটি।
পড়ুন : গুমের অন্ধকার গল্পে ‘জোয়ার’ এলো অন্তর্জালে


