বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চলাচলের রাস্তা কাটার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খুলল পথ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় গ্রামবাসীর চলাচলের একমাত্র মাটির রাস্তা কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কৃষকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে রাস্তাটি সংস্কার করে আবারও চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের আরফা করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের মাটির রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের চলাচলের প্রধান পথ। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করেন।

সম্প্রতি মাটি কাটার লোক দিয়ে রাস্তাটি কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এতে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা কাটার প্রতিবাদ জানালে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় উপজেলা প্রশাসন। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শোভনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদুল আলম। প্রশাসনের নির্দেশনায় রাস্তাটি সংস্কার করে পুনরায় চলাচলের উপযোগী করা হয়।

এ বিষয়ে শোভনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদুল আলম বলেন, জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা নিয়ে সমস্যা তৈরি হওয়ায় বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হয়। পরে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে।

পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বলেন, জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দুর্ভোগ সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা জানান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে রাস্তা সংস্কার হওয়ায় বর্তমানে চলাচলে স্বস্তি ফিরেছে। ভবিষ্যতে যেন কেউ জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে দুর্ভোগ সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : তিস্তার পেটে শতাধিক বাড়িঘর, হুমকির মুখে দুই শতাধিক

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন