বিজ্ঞাপন

নেশার টাকা না পেয়ে পিতা মাতাকে মারধরের অভিযোগ

বিজ্ঞাপন

নেশার টাকা না পেয়ে বৃদ্ধ বাবা-মাকে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বাবার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ছেলের অব্যাহত হামলার ভয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের সালতা গ্রামের বৃদ্ধ দম্পতি আনোয়ার আকন ও ফাতেমা বেগম। অন্যদিকে বৃদ্ধ বয়সে পিতাকে বিয়ে করতে নিষেধ করায় ছেলের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের মিথ্যে অভিযোগ দিয়েছে বলে দাবী পুত্রের। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আনোয়ার আকন অভিযোগ করে বলেন, আমার একমাত্র ছেলে হামিদ আকন দীর্ঘদিন থেকে মাদকাসক্ত হয়ে পরেছে। নেশার জন্য টাকা না দিলে প্রায়ই সে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করে। তিনি আরও বলেন, অতিসম্প্রতি খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ইল্লা বাসষ্ট্যান্ডের কনক ফার্মেসির সামনে বসে তাকে (আনোয়ার) হামিদ আকন, শাহজাহান আকন ও নবী হোসেন ব্যাপক মারধর করে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসক কনক দত্ত বলেন, আমার দোকানের সামনে বসেই হামিদ আকন ও তার লোকজনে বৃদ্ধ আনোয়ার আকনকে মারধর করেছে। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়ে উপজেলা হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।

বৃদ্ধ আনোয়ার আকন বলেন, মাদক সেবনের জন্য ছেলে আনোয়ারের দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় এনিয়ে একাধিকবার আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মারধর করা হয়েছে। সর্বশেষ আমার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছে।

বৃদ্ধা ফাতেমা বেগম বলেন, ছেলেকে নেশা করতে নিষেধ করায় সে আমাকে বারবার মারধর করে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি। এ ব্যাপারে আমরা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, এসব ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তবে হামলা ও বাবার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার হুমকির অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে হামিদ আকন বলেন, আমার বাবা পর পর পাঁচটি বিয়ে করেছেন। বৃদ্ধ বয়সে তাকে বিয়ে করতে নিষেধ করায় সে এখন আমার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের মিথ্যে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে।

লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বলেন, লিখিত অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পড়ুন : আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮১

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন