বিজ্ঞাপন

আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার জেরে রূপগঞ্জে বিচারপ্রার্থীকে চাপাতির কোপ

বিজ্ঞাপন

আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জের ধরে রূপগঞ্জে মো. মোতালিব মিয়া (৪৯) নামে এক চা-দোকানিকে দিনদুপুরে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনার সময় তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে তার ভাই রমজানকেও পিটিয়ে আহত করা হয়।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন তারাব পৌরসভার নোয়াপাড়া এলাকার বাবুল মার্কেটের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মোতালিব মিয়ার চাচাতো ভাই হাজী আব্দুর রশীদ (৬৫)-এর সঙ্গে জমিজমা নিয়ে একই এলাকার মোজ্জাম্মেল হক ফারহানা (৪০) ও মোকাম্মেল হক তারেকের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এসব নিয়ে আব্দুর রশীদ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা (জিআর নং-৪৮/২৫, ভূমি অপরাধ মামলা নং-১০৭/২৬ এবং রূপগঞ্জ থানা মামলা নং-৪৭/২৬) দায়ের করেন। মোতালিব মিয়া ওই মামলাগুলোর অন্যতম সাক্ষী।

জানা যায়, আগামী সেপ্টেম্বর আদালতে জিআর মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য আছে। এর আগে গত ১৮ আগস্ট আসামিরা মোতালিবকে সাক্ষ্য না দেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয়, যার প্রেক্ষিতে রূপগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি নং-৪২২, তারিখ: ০৬/০৯/২০২৬) করা হয়।

আজ ১ ও ২ নম্বর আসামির নেতৃত্বে ইমন মাস্টার (৪২) ও হযরত আলী (৪০)-সহ অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনের একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র (চাপাতি, চাকু, লোহার রড) নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

​হামলাকারীরা প্রথমে মোতালিবকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। একপর্যায়ে ১ নম্বর আসামি মোজ্জাম্মেল হক ফারহানা হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ দিলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। ছোট ভাই রমজান এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে আসামিরা মামলা প্রত্যাহার ও সাক্ষ্য না দেওয়ার হুমকি দিয়ে সটকে পড়ে।

​পরে স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় মোতালিব মিয়াকে উদ্ধার করে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোতালিব মিয়া বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পড়ুন : ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলা: জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন