বিজ্ঞাপন

ইয়েমেন সংকট সামলাতে ট্রাম্প ‘বিভ্রান্ত’, সমালোচনা মার্কিন থিংকট্যাংকের

বিজ্ঞাপন

ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি বিদ্রোহীদের ক্রমশ অগ্রসর হওয়া এবং সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের সংঘাত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বিভ্রান্ত’ অবস্থায় আছেন বলে মন্তব্য করেছেন এক বিশ্লেষক। নিউইয়র্কভিত্তিক থিংকট্যাংক সংস্থা সৌফান সেন্টারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কেনেথ কাৎজমান কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, এ সংকট কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আসলেই ভেবে পাচ্ছেন না। মার্কিন বিমানবাহিনীর সক্ষমতা দিয়ে শুরুতেই হুথিদের অগ্রযাত্রা রুখে দেওয়া গেলে আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না বলেও মনে করেন তিনি।

গত আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সৌদি আরবের তীব্র উত্তেজনা চলছে। কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদির জ্বালানি খাতের ব্যাপক ক্ষতির পর গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে সংযুক্তকারী বাব এল-মান্দেব প্রণালি দখল করে নেয় হুথি যোদ্ধারা।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় এত দিন এই পথেই নিজেদের অধিকাংশ তেল রপ্তানি করত রিয়াদ। হুথিদের দমনে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ফোন করে সামরিক সহায়তা চান সৌদির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণ দেখিয়ে সরাসরি অভিযানে অপারগতা প্রকাশ করে রিয়াদকে শুধু গোয়েন্দা ও পরামর্শ সহায়তা দেওয়ার কথা জানান ট্রাম্প।

এ প্রসঙ্গে কেনেথ কাৎজমান বলেন, ইয়েমেন পরিস্থিতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিভ্রান্তিতে পড়েছেন এবং কার্যকর কমান্ডার-ইন-চিফের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারছেন না। দশকের পর দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের নৌপথে অবাধে জ্বালানি পরিবহনকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে।

কিন্তু বর্তমানে ইরান ও হুথিদের কারণে সেই অবাধ চলাচলে চরম বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে কেবল আশা করছেন যে সৌদি আরবের মাধ্যমেই কোনোভাবে এর সমাধান হয়ে যাবে, যা ঘটার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ।

পড়ুন:ইরানি পণ্য আমদানি ও বিক্রি নিষিদ্ধ করল ইয়েমেন

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন