বিজ্ঞাপন

ধামরাইয়ে মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট, ফাইনালে মানিকগঞ্জ একাদশ

বিজ্ঞাপন

যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে দূরে রাখতে ঢাকার ধামরাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মাদকবিরোধী ব্যতিক্রমী ফুটবল টুর্নামেন্ট। শুক্রবার উপজেলার দেপাশাই বয়েজ ক্লাবের উদ্যোগে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।

খেলায় স্থানীয় বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং মাদকবিরোধী সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

দেপাশাই বয়েজ ক্লাবের সভাপতি ও মাইটিভির সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুর রশিদ তুষারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এসডিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. সামছুল হক। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল খেলায় গাজীরচট একাদশের মুখোমুখি হয় মানিকগঞ্জ একাদশ। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় গাজীরচট একাদশকে ২-১ গোলে পরাজিত করে ফাইনালে জায়গা করে নেয় মানিকগঞ্জ একাদশ।

খেলা শেষে দেপাশাই বয়েজ ক্লাবের সভাপতি আব্দুর রশিদ তুষার বলেন, ‘যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতেই ব্যতিক্রমী এই ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়েছে। বর্তমানে অনেক যুবক খেলাধুলা থেকে দূরে সরে যাওয়ায় মাদকের বিস্তার বাড়ছে। মরণব্যাধি মাদক থেকে যুবসমাজকে মুক্ত রাখতে হলে তাদের খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়; পাশাপাশি সামাজিকভাবে তরুণদের জন্য সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। মাঠমুখী করতে হবে নতুন প্রজন্মকে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করা হলে যুবকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ার পাশাপাশি মাদকবিরোধী আন্দোলনও আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করেন আয়োজকেরা।

আয়োজকেরা জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

পড়ুন : সিরাজগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, লাশ নিয়ে থানায় স্বজনরা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন