বিজ্ঞাপন

গণপরিবহনে আগুন, যান চলাচল নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

বিজ্ঞাপন

গণপরিবহনসহ সব ধরনের যানবাহন ও পণ্য পরিবহনের নিরাপত্তার স্বার্থে সড়কের দুই পাশে বা নির্জন স্থানে গাড়ি পার্ক না করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম।

বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকাসহ সারা দেশে চলাচলকারী সব ধরনের যানবাহন ও পণ্য পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি নির্দেশনা দেয়া হয়। এতে সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম বলেন, ‘যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতিসাধন বা ভাঙচুর এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই পরিবহনগুলো রাস্তার দুই পাশে অথবা অনিরাপদ ও নির্জন স্থানে পার্ক করা যাবে না।’

এ ছাড়া সব যানবাহন চলাচল শেষে বাধ্যতামূলকভাবে নিজ নিজ ডিপো, নির্ধারিত গ্যারেজ অথবা টার্মিনালে নিরাপদ পাহারায় রাখার জন্য মালিক ও শ্রমিকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর, রাজধানীর মিরপুর-১১, মিরপুর-১ নম্বরে দুই বাসে আগুন দেয়া ও যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ইনকামিং লেনে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার সামাদ সুপার মার্কেটের সামনে চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ সময় বিল্লাল নামে এক রিকশাচালক আহত হয়েছেন।

পুলিশ জানায়, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা সেখানে চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় রিকশাচালক মো. বিল্লাল আহত হন। ঘটনার পর আহত বিল্লালকে যাত্রাবাড়ী থানায় নেয়া হয়েছে। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হবে।

এর আগে শুক্রবার রাজধানীর অন্তত আটটি স্থানে ১৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একই দিন রাত ১০টার দিকে কাফরুল থানার সামনে একটি ফাঁকা বাসে আগুন দেয়ার ঘটনাও ঘটে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। সর্বশেষ ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের কয়েক শ নেতা-কর্মী জড়ো হয়ে ঝটিকা মিছিল বের করেন। একপর্যায়ে তারা গুলশান ও আশপাশ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এ রায়ের কয়েক ঘণ্টা পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে ওই দিন রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

পড়ুন : মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন