বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সৈয়দপুরের কাশীরাম বেলপুকুরে আবারও প্রার্থী নানচু হাসান চৌধুরী

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ২ নং কাশীরাম বেলপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ প্রায় শেষপর্যায়ে। আসন্ন নির্বাচন ঘিরে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে স্থানীয় জনমত ও বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে বর্তমান চেয়ারম্যান নানচু হাসান চৌধুরীর সততা, ক্লিন ইমেজ ও ব্যাপক জনপ্রিয়তার কথা

​বিগত মেয়াদে দায়িত্ব পালনকালে কোনো ধরনের বিতর্ক ছাড়াই অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে ইউনিয়ন পরিচালনা করেছেন নানচু হাসান চৌধুরী। সবসময় এলাকার গরীব-দুঃখী ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক নানা সমস্যার বিচার-সালিশে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত মান উন্নয়নে কাজ করে তিনি সাধারণ মানুষের মনে বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করেছেন।

​জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজস্ব সুনামের পাশাপাশি পারিবারিক দিক থেকেও তাদের রয়েছে গভীর জনসম্পৃক্ততা ও ঐতিহ্য। তাদের পরিবারের সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয় হলো, নানচু হাসান চৌধুরীর প্রয়াত বাবাও ছিলেন এই কাশীরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের সাবেক অত্যন্ত সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। বাবার সেই আদর্শ, সততা ও জনসেবার ঐতিহ্যকে ধারণ করেই তিনি এলাকার মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন।

​এছাড়া একটি সম্মানিত, সম্ভ্রান্ত ও সুশিক্ষিত পরিবারের সন্তান হিসেবে এলাকায় তাদের পারিবারিক ভাবমূর্তি অত্যন্ত উজ্জ্বল। তার বড় ভাই লুৎফর রহমান চৌধুরী ঐতিহ্যবাহী হাজরাহাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ এবং স্থানীয় বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা। পরিবারের আরেক ভাই ও ভাবী কানাডা প্রবাসী। একটি স্বচ্ছ, শিক্ষিত ও ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান হিসেবে সর্বস্তরের মানুষের কাছে নানচু হাসান চৌধুরীর বিশেষ মর্যাদা ও আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

​বিগত নির্বাচনে নানচু হাসান চৌধুরী ‘গোলাপ ফুল’ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে বিজয়ী হলেও এবার দলীয় বা জাতীয় প্রতীকের বদলে স্থানীয় নির্ধারিত প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। তবে সাধারণ ভোটারদের অভিমত, প্রতীকের চেয়েও নানচু হাসান চৌধুরীর ব্যক্তি সততা, পারিবারিক ঐতিহ্য, কর্মনিষ্ঠা এবং বিগত দিনের উন্নয়নমূলক কাজই তাদের কাছে প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

​আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বর্তমান চেয়ারম্যান নানচু হাসান চৌধুরী বলেন, আমি মেয়াদের পুরোটা সময় কাশীরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন। আগামীতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে আমি শতভাগ আশাবাদী যে, ইউনিয়নের ভোটাররা তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে আবারও এলাকার সেবা করার সুযোগ এনে দেবেন।।

​এলাকার সচেতন মহল ও সাধারণ ভোটারদের মতে, বাবার রেখে যাওয়া জনসেবার ঐতিহ্য,বিগত দিনের সফলতা, সুশাসন এবং সর্বস্তরের মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে আসন্ন নির্বাচনেও বিজয়ের দিক থেকে তিনি সুদৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পবার বড়গাছীতে পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় বীজ বপন ক্যাম্পেইন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন