বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিধির মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা

ভারতের মধ্যপ্রদেশে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিধি তিওয়ারির মৃত্যু ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর ভূসা মোড়ে নিজ বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ৩০ বছর বয়সী এই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যুতে পরিবার ও পরিচিতদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় স্বজনরা বাড়িতে নিধিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। স্বজনদের দাবি, মৃত্যুর ঠিক আগমুহূর্তেও নিধি মোবাইল ফোনে কারও সঙ্গে ব্যস্তভাবে কথা বলছিলেন।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে নিধি কার সঙ্গে এবং কী বিষয়ে কথা বলেছিলেন, তা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে ঘটনাটিকে নিছক আত্মহত্যা হিসেবে নিশ্চিত করতে চাইছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইতোমধ্যে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড, ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ও অনলাইন কার্যক্রমের বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। মোরওয়া থানার ইনচার্জ ড. জ্ঞানেন্দ্র সিংয়ের নেতৃত্বে নিধির পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

পেশাগত জীবনে নিধি চলচ্চিত্র ও অভিনয় জগতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। সেই লক্ষ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন তিনি। মডেলিং, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও নিয়মিত ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে ধীরে ধীরে ইন্টারনেটে নিজের অবস্থান তৈরি করেন নিধি। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে তার প্রায় ১৬ লাখ অনুসারী ছিল। তারা নিয়মিত তার ভিডিও ও পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানাতেন। গত বছর ‘মিস প্রিটি ইন্ডিয়া’ খেতাব অর্জনের পর ক্যারিয়ার নিয়ে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন তিনি। তবে আকস্মিক এই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার সেই পথ থেমে গেল।

পড়ুন : ভিএমএএসে নতুন ইতিহাস, সর্বোচ্চ পুরস্কারজয়ী টেইলর সুইফট

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন