বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় মেরাজ গ্রেপ্তার

ঢাকার মোহাম্মদপুরে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও ফ্যাক্টরির মালামাল চুরির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. মেরাজুল ইসলাম (৪৫) নামে এক প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন তাঁর নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আদালতে দাখিল করা মামলার নথি অনুযায়ী, সৈয়দ রিয়াজুল করিম বাদী হয়ে ঢাকার বিজ্ঞ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি সি.আর. মামলা নং-৮০৬/২০২৬; অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০/৩৮০ ধারার উল্লেখ রয়েছে।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, বাদী ও অভিযুক্তরা ব্যবসায়িকভাবে পার্টনার ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বাংলাদেশ পাওয়ার টেকনোলজি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনার সময় কোম্পানির অর্থ, পাওনা এবং ফ্যাক্টরির মালামাল নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

বাদীর অভিযোগ, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে অভিযোগ অনুযায়ী, কোম্পানির অর্থ ও মালামাল নিয়ে অনিয়মের ঘটনা ঘটে। মামলার নথিতে কর্মচারীদের বেতন ও যন্ত্রাংশ বাবদ ১ কোটি ৪১ লাখ ৯১ হাজার ৯১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।

নথিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ফ্যাক্টরির বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া এবং কোম্পানির সম্পদ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের মাধ্যমে বাদী ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাদী আদালতের শরণাপন্ন হন।

মামলার নথি অনুযায়ী, আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মো. মেরাজুল ইসলামকে বুধবার দুপুরে মোহাম্মদপুরের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়ার বিষয়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও আইন অনুযায়ী আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দোষী হিসেবে গণ্য করা যায় না।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ৪২ বছর পর বাবার পথ অনুসরণ করে জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে জহরত আদিব চৌধুরী

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন