বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভোটকেন্দ্র সরানোর উদ্যোগে ক্ষোভ, মানববন্ধন-অনশনে সাত গ্রামের মানুষ

দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে যে কেন্দ্রে ভোট দিয়ে আসছেন সাত গ্রামের মানুষ, হঠাৎ সেই কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন তারা। ভোটারদের সুবিধাজনক স্থান থেকে কেন্দ্র সরিয়ে দূরের একটি বিদ্যালয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও অনশন কর্মসূচি পালন করেছেন মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরকারি সিডস্টোর ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় বর্তমান ভোটকেন্দ্রটি আগের স্থানেই বহাল রাখার দাবি জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, ২০০৩ সাল থেকে সরকারি সিডস্টোর ভবনটি ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সাতটি গ্রামের মাঝামাঝি অবস্থানে হওয়ায় কেন্দ্রটি নারী, বয়স্ক ও সাধারণ ভোটারদের জন্য সহজে যাতায়াতযোগ্য।

সম্প্রতি কেন্দ্রটি সরিয়ে ৬ নম্বর ওয়ার্ডসংলগ্ন ফরাজীকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেওয়ার উদ্যোগের কথা জানতে পারেন স্থানীয়রা। এরপর থেকেই শুরু হয় প্রতিবাদ। তাদের অভিযোগ, প্রস্তাবিত বিদ্যালয়টি ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। সেখানে এ ওয়ার্ডের কোনো ভোটারের বসতবাড়িও নেই। ফলে কেন্দ্রটি সেখানে সরানো হলে সাত গ্রামের অনেক ভোটারকে অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিয়ে ভোট দিতে যেতে হবে।এতে বিশেষ করে নারী, বয়স্ক, অসুস্থ ও শারীরিকভাবে দুর্বল ভোটারদের দুর্ভোগ বাড়বে। তারা বলেন, ভোটারদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে দীর্ঘদিনের বর্তমান কেন্দ্রটি বহাল রাখা উচিত।

মানববন্ধনে আবুল বাশার, হেদায়েত খান, ফজেল হাওলাদার, সুমন ফরাজী, সাবিনা ও সুরভি সাহেদাসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।কর্মসূচিতে সাত গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন।

কেন্দ্রটি বহাল রাখার দাবিতে গত ৩০ জুলাই মাদারীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজন বাসিন্দা। আবেদনে বলা হয়, সাতটি গ্রামের মাঝামাঝি হওয়ায় সরকারি সিডস্টোর ভবনটি ভোটারদের জন্য সুবিধাজনক। বিপরীতে ফরাজীকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ওয়ার্ডের প্রান্তে হওয়ায় সেখানে কেন্দ্র স্থানান্তর করা হলে ভোটারদের যাতায়াতে ভোগান্তি তৈরি হতে পারে।

মাদারীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে উভয় পক্ষের লোকজন আবেদন করেছেন। তাদের নিয়ে গণশুনানিও হয়েছে। শুনানিতে সন্তুষ্ট না হয়ে বিভাগীয় শহরে পুনরায় তদন্তের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

পড়ুন : প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন