‘চলতি মাসে ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণ হতে পারে’

চলতি মাস অক্টোবরে ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অডিটরিয়ামে ‘ডেঙ্গু সংকট মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ ও মৃত্যুর হার কমাতে দীর্ঘমেয়াদে টিকা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে সরকার। তবে এই মুহূর্তে দেশে ডেঙ্গুর টিকা দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।

ডা. এম এ মুহিত বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদে ভ্যাকসিন নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। পৃথিবীতে এই মুহূর্তে সম্ভবত তিনটি ক্যান্ডিডেট ডেঙ্গু ভ্যাকসিন আছে। আমাদের দেশেও এ নিয়ে চিন্তাভাবনা ও কথা হচ্ছে। তবে সেটা এই মুহূর্তে হচ্ছে না।’

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ডেঙ্গুর সব ধরনের ভ্যারিয়েন্টই দেখা যাচ্ছে। তার ভাষায়, এটি একটি ‘ইউনিক সায়েন্টিফিক ফাইন্ডিং’। বিশ্বের অনেক দেশে সাধারণত একটি বা দুটি ভ্যারিয়েন্ট বেশি দেখা গেলেও বাংলাদেশে সবগুলো ভ্যারিয়েন্টই পাওয়া যাচ্ছে।

সম্প্রতি জাপান সফরের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানেও একটি ক্যান্ডিডেট ডেঙ্গু ভ্যাকসিন রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশেরও চিন্তাভাবনা ও আলোচনা চলছে। তবে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এ বিষয়ে আরও কাজ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কমাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি মৃত্যুর হার কমাতে চাই, আক্রান্তের হার কমাতে চাই, প্রথম কাজটি হচ্ছে প্রিভেনশনের জন্য কাজ করতে হবে।’

এদিকে দেশে ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামাল দিতে সরকারি হাসপাতালগুলোতে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘ফিল্ড হাসপাতাল’ তৈরির পরিকল্পনাও করছে সরকার। শয্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর হটস্পট এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তবে বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়েই রয়েছে বলে জানান তিনি।

হু হু করে বাড়তে থাকা ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রতিদিনই নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সোমবারের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯০২ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে মারা গেছেন ৯ জন। তবে উদ্বেগ শুধু এক দিনের আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় নয়, বরং সংক্রমণের গতিপথ নিয়েও। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামনে আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

চলতি বছরের পরিসংখ্যানেও সেই চিত্র স্পষ্ট। জুনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ২ হাজার ৯০৭ জন। জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ হাজার ২০৬ জনে। আগস্টে এক লাফে ভর্তি রোগীর সংখ্যা হয় ২০ হাজার ৫৩৬ জন। সেপ্টেম্বরে তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ হাজার ৭৭৪ জনে, যা এ বছরের সর্বোচ্চ। জুনের তুলনায় সেপ্টেম্বরে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে ১৫ দশমিক ০৬ গুণ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৮৮ হাজার ৩৬০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৪৮ হাজার ৪৯১ জন। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

মৃত্যুর পরিসংখ্যানেও একই ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। জুনে ডেঙ্গুতে মারা যান ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, আগস্টে ৪৩ জন এবং সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২৭১ জন। গত বছরের একই সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২০২ জন।

সূত্র বলছে, গত রোববার ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণ করা হয়। রোগীর চাপ সামাল দিতে হাসপাতালগুলোতে শয্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ফিল্ড হাসপাতাল তৈরির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত মে মাসে হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ কম্পাউন্ডের ভেতরে একটি ফিল্ড হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেনাবাহিনীর সহায়তায় সেখানে ২০ শয্যার একটি হাসপাতাল তৈরি করা হয়। সেটিকেই আবার চালু করার কথা ভাবছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ।

দেশের সার্বিক চিত্রের সঙ্গে ঢাকার অন্যতম বড় সরকারি হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিস্থিতিও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বছরের প্রথম ছয় মাসে সেখানে ডেঙ্গু রোগীর চাপ তুলনামূলক কম থাকলেও জুলাই থেকে চিত্র পাল্টাতে শুরু করে। আগস্টে চাপ আরও বাড়ে। আর সেপ্টেম্বরে এক মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন ১ হাজার ৪০৩ জন। অক্টোবরের প্রথম তিন দিনেই ভর্তি হয়েছেন আরও ১২৭ জন।

চলতি বছরের ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৩ হাজার ৮৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪২ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ১৮১ জন। আর ৫৭৯ জন নিজ দায়িত্বে হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছেন।

শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সরেজমিন ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা মেডিকেলের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগের ৪০২, ৫০২ ও ৭০২ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত এই তিনটি ওয়ার্ডেই রোগী ভর্তি করা হচ্ছে। রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়লেও চিকিৎসাব্যবস্থা ভালো রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

তবে রোগীর সঙ্গে থাকা স্বজনদের সংখ্যাও কম নয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক রোগীকে মশারি সরবরাহ করলেও নানা কারণে অনেকেই তা ব্যবহার করছেন না।

গাজীপুর থেকে ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিতে আসা ১৮ বছর বয়সী ফারহান বলেন, “আমরা গাজীপুর থাকি সেখানে বেশ কয়েকদিন জ্বর থাকার পরে গাজীপুর হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম সেখান থেকে প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে রেফার করে।এখন আগের থেকে একটু ভালো আছি।হাসপাতালে এসেছেন আপনাদের এখানে মশারি সাপ্লাই দেয়া হয়েছে কিন্তু আপনারা কেন মশারি টানাচ্ছেন না এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,হাসপাতাল দেশের থেকে মশারি দিয়েছে ঠিকই কিন্তু টানানোর ব্যবস্থা পাচ্ছিনা।”

ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন আফরোজা আক্তার। তিনি বলেন, “কয়েকদিন ধরে জ্বরের পর ডেঙ্গু পরীক্ষা করলে পজিটিভ আসার পর ঢাকা মেডিকেলে এসে ভর্তি হয়ে। মুখে কোন কিছু খেতে পারছি না বমি হয়ে বের হয়ে যাচ্ছে। পরে ঢাকা মেডিকেলে স্যালাইন নেওয়া শুরু করি। আমার ১ লাখের নিচে নেমে এসেছিল। সেটার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতালে ওয়াশরুম গুলা অনেক নোংরা।”

মশারি থাকার পরও কেন তা টানানো হচ্ছে না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ভিতরে রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি গরম। মশারি টানালে ভিতরে বাতাস প্রবেশ করে না। মশারি দিয়েছে ঠিকই কিন্তু টানানোর ব্যবস্থা তো সেরকম দেখছি না।”

নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “আমাদের ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্য ডেডিকেটেড ওয়ার্ডগুলোতে সকলকে মশারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তারা মশারির ব্যবহার করছেন না।এতে তাদের সাথে যারা এটেনডেন্ট রয়েছে তাদেরও ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ তুলনামূলক কম ছিল। জানুয়ারিতে ৪৫ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২৬, মার্চে ৩০, এপ্রিলে ৪১, মে মাসে ৭৫ এবং জুনে ১২২ জন রোগী ভর্তি হন।

জুলাই থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। ওই মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন ৩৭২ জন। আগস্টে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৪৪ জনে। সেপ্টেম্বরে এক মাসেই ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪০৩ জন।

অক্টোবরে প্রথম তিন দিনে ভর্তি হয়েছেন আরও ১২৭ জন। এ সময়ে ৬৬ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন, ৩১ জন নিজ দায়িত্বে চলে গেছেন এবং ৪০২ ও ৫০২ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

সব মিলিয়ে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত চলতি বছরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫ জন।

গত তিন বছরের পরিসংখ্যানেও হাসপাতালটিতে ডেঙ্গু রোগীর চাপের একটি চিত্র পাওয়া যায়। ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩ হাজার ৪০৯ জন। ২০২৫ সালে ভর্তি হন ৩ হাজার ৮৮৮ জন। আর চলতি বছরের ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫ জন।

২০২৪ সালে জানুয়ারিতে ৬৫, ফেব্রুয়ারিতে ২৪, মার্চে ১৮, এপ্রিলে ৩৭, মে ৪৭, জুন ৬৬, জুলাই ১৪৪, আগস্ট ৩৪৬, সেপ্টেম্বরে ৭৯৪, অক্টোবরে ৮৮২, নভেম্বরে ৬৭৮ এবং ডিসেম্বরে ৩০৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন।

২০২৫ সালে জানুয়ারিতে ৭১, ফেব্রুয়ারিতে ২২, মার্চে ২৪, এপ্রিলে ৩৫, মে ৭২, জুন ২২৯, জুলাই ৩৯৯, আগস্ট ৫৩৪, সেপ্টেম্বরে ৬৯৬, অক্টোবরে ৭৬২, নভেম্বরে ৭৭৯ এবং ডিসেম্বরে ২৬৫ জন ভর্তি হন।

অন্যদিকে ২০২৬ সালের ৩ অক্টোবর পর্যন্ত জানুয়ারিতে ৪৫, ফেব্রুয়ারিতে ২৬, মার্চে ৩০, এপ্রিলে ৪১, মে ৭৫, জুন ১২২, জুলাই ৩৭২, আগস্ট ৮৪৪, সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৪০৩ এবং অক্টোবরে ১২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যাও সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ। জানুয়ারিতে দুজন, ফেব্রুয়ারিতে কেউ মারা যাননি, মার্চে দুজন, এপ্রিলে কেউ মারা যাননি, মে মাসে দুজন, জুনে একজন, জুলাইয়ে ১০ জন, আগস্টে ১০ জন, সেপ্টেম্বরে ১৩ জন এবং অক্টোবরের প্রথম তিন দিনে দুজন মারা গেছেন।

অর্থাৎ চলতি বছর এখন পর্যন্ত সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। জুলাই ও আগস্টে মারা গেছেন ১০ জন করে।

তবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত চলতি বছরের মোট মৃত্যুর সংখ্যা গত দুই বছরের তুলনায় কম। ২০২৫ সালে ঢাকা মেডিকেলে ডেঙ্গুতে ১১৮ জন এবং ২০২৪ সালে ৯৫ জন মারা গেছেন। অর্থাৎ দুই বছরে এই হাসপাতালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ জনের।

তিন বছরের মাসভিত্তিক হিসাবে ২০২৫ সালের অক্টোবরে সর্বোচ্চ ২৫ জন এবং ২০২৪ সালের অক্টোবরে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

৩ অক্টোবরের হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেডিকেলে ডেঙ্গু নিয়ে ১২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ৬৬ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং ৩১ জন ডিওআরবিতে রাখা হয়েছে।

পড়ুন: এলপিজির নির্ধারিত দাম নিশ্চিত করতে ডিসিদের নির্দেশ

আর/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন