রাজবাড়ীতে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৪৬১টি মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৮৬টি মন্দির ঝুঁকিপূর্ণ ও ৪০টি মন্দির অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব মন্দিরসহ রাজবাড়ী জেলার সব পূজামণ্ডপগুলোতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার (এসপি) মীর মনির হোসেন।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজবাড়ী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন বলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলায়- ১১৮টি মন্দিরের মধ্যে ৮টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৩টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ১০৭টি সাধারণ। এর মধ্যে ৫০টি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা রয়েছে এবং ৬৮টিতে নেই।জেলায় এবার ৪৬১টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৮৬টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৩৩৫টি সাধারণ মন্দির। ৩০৫টি মন্দির সিসি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে। ১৫৬টি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা নেই।’এছাড়াওবালিয়াকান্দি উপজেলায় ১৫৮টি মন্দিরের মধ্যে ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ১২৯টি সাধারণ। এর মধ্যে ৭২টি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা রয়েছে এবং ৮৬টিতে নেই।এর মধ্যে পাংশা উপজেলায় ১০৪টি মন্দিরের মধ্যে ২৮টি ঝুঁকিপূর্ণ, ১০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ৬৬টি সাধারণ। এ উপজেলার ১০৪টি মন্দিরেই সিসি ক্যামেরা রয়েছে। এছাড়াও গোয়ালন্দ উপজেলায় ২৬টি মন্দিরের মধ্যে ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ১৫টি সাধারণ। এর মধ্যে ২৪টি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা রয়েছে এবং ২টিতে নেই।অন্যদিকে কালুখালী উপজেলায় ৫৫টি মন্দিরের মধ্যে ১৮টি ঝুঁকিপূর্ণ, ১৯টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ১৮টি সাধারণ। এ উপজেলার ৫৫টি মন্দিরেই সিসি ক্যামেরা রয়েছে।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার আরো বলেন,আসন্ন ‘দুর্গাপূজায় পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, এসআরবি, আনসার, স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ থাকবে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’তবে এবারের দূর্গা পূজায় সব শ্রেণী পেশার মানুষসহ সাংবাদিকদের ভাইদেরও সার্বিক সহযোগীতা চান।
পড়ুন : মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের গ্রিনকার্ড স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র
সা/


