টাঙ্গাইলে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী শাহিন মিয়া। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বেড়বাড়ী বাজারে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী শাহিন মিয়া। শাহিন মিয়া বলেন, আমি ২২ বছর প্রবাস ছিলাম। প্রবাস জীবন শেষে আমি ২০২৪ সালে দেশে আসি। প্রবাসের উপার্জিত টাকা দিয়ে ২৫ সালের ২৪ মার্চ আমি বেড়বাড়ী বাজারে সাড়ে ৭ শতাংশ ভূমি দোকান ঘরসহ ক্রয় করি। পরবর্তীতে আমি দোকানঘর ভাড়া দেই। এ অবস্থায় আমার ক্রয়কৃত দোকান দখল করার জন্য ব্যর্থ হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে তথাকথিত সংবাদ সম্মেলন করে এস. এ শাহিন। এস. এ শাহিন একজন চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু। তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া এস. এ শাহিনের নামে চেক জালিয়াতি এবং স্বাক্ষর জাল করার মামলাও রয়েছে। এস এ শাহিনের বড় ভাই শামছুল আলম ডাচ্ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের নামে ভুয়া শাখা খুলে এলাকার মানুষের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ অবস্থায় শাহিন তার বাহামভুক্ত সন্ত্রাসী দিয়ে বিভিন্নভাবে আমার দোকান দখলের পায়তারা করছে। এঘটনায় আমি এস এ শাহিনসহ ৪ জনের নামে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা করি। মামলার পর ১৬ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পন করলে আদালতের বিচারক তাদের কারাগারে পাঠান। পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় আমাকে এবং আমার পরিবার হত্যা এবং লাশগুম করার হুমকী দেয়। এস এ শাহিন আমার সামাজিক, পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদেশ্য আমার নামে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেন। আমি ওই সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, যেকোন সময় এস. এ শাহিনের সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে হত্যা করতে পারে। আমার এই অসহায় অবস্থায় আমি দীর্ঘ ২২ বছর রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসাবে প্রবাসে অবস্থান করেছি। আমি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে এস. এ শাহিন বলেন, জায়গা এবং দোকান আমার। আদালত থেকেও আমার পক্ষে রায় এসেছে। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।

পড়ুন : ৫ বছর পর টাঙ্গাইলে প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগ শুরু

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন