কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানির ভাইরাসজনিত অসুস্থতা এবং গোলরক্ষক মানুয়েল ন্যয়ারের ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা—সব বাধা মাথায় নিয়েই মাঠে নেমেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে আর্সেনালের বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি জার্মান জায়ান্টরা। রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ হয়েছে ২-২ গোলের ড্রয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল সতর্ক অবস্থানে থাকলেও খেলার সপ্তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় আর্সেনাল; ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন দলটির অধিনায়ক বুকায়ো সাকা। তবে এই ধাক্কা সামলে ২৫ মিনিটে এগিয়ে যায় গানাররা। মার্টিন ওডেগার্ডের বাড়ানো লম্বা পাস ধরে দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন বদলি হিসেবে নামা এবেরেচি এজে।
পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি বায়ার্ন। ৩৫ মিনিটে হ্যারি কেইনের অসাধারণ এক পাস থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে ঠান্ডা মাথায় আর্সেনাল গোলরক্ষক দাভিদ রায়াকে পরাস্ত করেন আলফোনসো ডেভিয়েস (১-১)। চলতি মৌসুমে এটি হ্যারি কেইনের সপ্তম অ্যাসিস্ট।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৪৮ মিনিটে ব্রুনো গিমারাইসের হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দিয়ে বায়ার্নকে বাঁচান ন্যয়ার। ঠিক পরের মিনিটেই বায়ার্নের উপামেকানোর হেড দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করেন রায়া।
অবশেষে ৬১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন। আর্সেনালের ইয়ুরিয়েন টিম্বারের হাতে বল লাগলে ভিএআর চেক করে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে গোল করে স্বাগতিকদের ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।
ম্যাচ যখন বায়ার্নের জয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে আসে আর্সেনাল। ৮২ মিনিটে ননি মাদুয়েকের আক্রমণ থেকে বল পেয়ে বক্সের ডান দিক থেকে চমৎকার এক নিচু শটে বল জালে জড়ান ডেকলান রাইস। ফলে শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দুদলকে।
এই ড্রয়ের ফলে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার সপ্তম স্থানে অবস্থান করছে আর্সেনাল। অন্যদিকে, টানা দুই ম্যাচে পয়েন্ট হারানো বায়ার্ন মিউনিখ ৫ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে ১৪তম স্থানে।
পড়ুন : কোকো জাতীয় সামার এ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার পর্দা উঠছে শুক্রবার


