গ্রামীণ সড়কে ডিবির ফাঁদ: কেন্দুয়ায় ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক দুজন

গ্রামীণ জনপদে সকালের নীরবতা ভেঙে মাদক কারবারিদের রুখে দিল নেত্রকোনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিনশো পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নেত্রকোনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে, এদিন সকাল পৌনে ৯টার দিকে মোজাফরপুর দারুস সালাম জামে মসজিদের সামনের সড়কে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

আটককৃতরা হলেন- আ. হাফিজ (৪২), তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল থানার ধলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আ জলিল ভুঞা ওরফে তারু এবং মৃত ফেরদৌসা খাতুনের ছেলে। অপরজন মতিউর রহমান (২২), তার বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার গাগডা বাদলাপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের শামসুল ইসলাম ও রাব্বানা আক্তারের ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, নেত্রকোনার পুলিশ সুপারের সরাসরি দিকনির্দেশনায় মাদক উদ্ধারে বিশেষ তৎপরতা শুরু হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) জানতে পারে, কেন্দুয়া থানাধীন মোজাফরপুর গ্রাম এলাকায় মাদকের চালান হাতবদল বা পরিবহন হতে যাচ্ছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরে রবিবার সকাল পৌনে ৯টায় জেলা গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হায়দার আলী রানার নেতৃত্বে ডিবির একটি দল মোজাফরপুর এলাকায় অবস্থান নেয়।

এ সময় কেন্দুয়া থেকে মোজাফরপুরগামী পাকা রাস্তার ওপর মোজাফরপুর দারুস সালাম জামে মসজিদের সামনে অভিযান চালিয়ে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ঘিরে ফেলে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে তিনশো পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।

অ্যামফিটামিন জাতীয় মাদক ইয়াবা ট্যাবলেটসহ হাতেনাতে আটকের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন, অপরজনের ৪ বছরের কারাদণ্ড

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন